© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আশা দিদি পরম মমতায় ভরিয়ে রেখেছিলেন: আরতি মুখোপাধ্যায়

শেয়ার করুন:
আশা দিদি পরম মমতায় ভরিয়ে রেখেছিলেন: আরতি মুখোপাধ্যায়

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৫৫ পিএম | ১২ এপ্রিল, ২০২৬
একটি যুগের অবসান হলো। থেমে গেল সেই চিরযৌবনা কণ্ঠস্বর, যা বিগত সাত দশকের বেশি সময় ধরে সংগীতপ্রেমীদের মুগ্ধ করে রেখেছিল। ভারতের সঙ্গীত জগতের অন্যতম উজ্জ্বল ধ্রুবতারা, আশা ভোঁসলে আজ ৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। আশা ভোঁসলের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা সঙ্গীত মহল। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রখ্যাত গায়িকা আরতি মুখোপাধ্যায়।

আশার স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমকে আরতি বলেন, ‘লতাদি (লতা মঙ্গেশকর) চলে যাওয়ার পর মনে হয়েছিল জায়গাটা একদম ফাঁকা হয়ে গেল। কিন্তু আশা দি সেই শূন্যস্থান পরম মমতায় ভরিয়ে রেখেছিলেন। আমি শুধু ওনার সঙ্গে গানই গাইনি, ওনার থেকে অনেক কিছু শিখেছি। উনি যেভাবে কোনও জিনিস শেখাতেন, জানি না আর কেউ কোনওদিন তা পারবেন কি না।‘



আরতি দেবী আরও জানান, এই অসামান্য প্রতিভা ছিল মঙ্গেশকর পরিবারের বংশানুক্রমিক দান। তাদের বাবা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর ছিলেন উচ্চমানের পণ্ডিত। কোলাপুর থেকে বোম্বে আসার শুরুর দিনগুলোতে বাবার সঙ্গে মঞ্চে গান গেয়েই আশা জির হাতেখড়ি হয়েছিল।

আরতি দেবী বলেন, ‘ওনাদের পরিবার কোলাপুরে থাকতেন। তারপর আমারই এক পরিচিতর সঙ্গে বোম্বে আসেন। সেখানে এক নাট্য কোম্পানিতে দীননাথ সুর দিতেন। বাবার সঙ্গে স্টেজে অনেক গান গেয়েছেন আশা জি।‘ আশা ভোঁসলের কণ্ঠের বহুমুখিতা নিয়ে আরতি মুখোপাধ্যায় আরও জানান যে, অত্যন্ত কঠিন সব রাগাশ্রয়ী গান তিনি অবলীলায় গেয়ে ফেলতেন।

আরতির কথায়, ‘একটা সময়কালের অবসান হল আশার মৃত্যুতে। উনি যেভাবে কোনও জিনিস শেখাতেন, জানি না আর কেউ কোনও দিন তা পারবেন কি না।‘

প্রসঙ্গত, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ৯২ বছর বয়সে মাল্টিপল অর্গান ফেইলরের কারণে এই গুণী শিল্পীর মৃত্যু হয়েছে। সাত দশকের বেশি সময়ের দীর্ঘ কেরিয়ারে ২০টিরও বেশি ভাষায় ১১ হাজারেরও বেশি গান উপহার দিয়েছেন তিনি। ‘ও হাসিনা জুলফোঁয়ালে’ থেকে শুরু করে ‘দিল চিজ ক্যায়া হ্যায়’ তার গায়কীর বিস্তার ছিল অবাক করার মতো। জানা যায়, সোমবার (১৩ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে এই সুর-সম্রাজ্ঞীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

পিআর/টিএ

মন্তব্য করুন