৪ মাসেই বছরের সর্বোচ্চ ‘ডাক’ খাওয়ার রেকর্ড অভিষেক শর্মার
ছবি: সংগৃহীত
১০:৩৪ পিএম | ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত চ্যাম্পিয়ন হলেও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি অভিষেক শর্মা। যদিও এখনও তিনি টি-টোয়েন্টিতে এক নম্বর ব্যাটারের জায়গাটা এখনও অক্ষুণ্ন রেখেছেন। বিশ্বকাপে টানা তিন ম্যাচে ডাক (শূন্য রানে আউট) খেয়ে বিব্রতকর রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। এবার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে এক বছরে সর্বোচ্চ শূন্য রানে আউটের রেকর্ড গড়লেন মাত্র তিন মাসেই!
আইপিএলে আজ (সোমবার) মুখোমুখি হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালস। আগে ব্যাট করতে নামা হায়দরাবাদের হয়ে শুরুটা আশানুরূপ করতে পারেননি আগের ম্যাচে ৭৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলা অভিষেক। জোফরা আর্চারের প্রথম বলেই তিনি ক্যাচ তুলে ফিরেছেন। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরের এখন পর্যন্ত সাত ম্যাচে ডাক নিয়ে আউট ভারতীয় এই ওপেনার। সংক্ষিপ্ত সংস্করণের ক্রিকেটে এক বছরে এতবার ডাকের রেকর্ড নেই অভিষেকের আর কোনো স্বদেশি ব্যাটারের।

হায়দরাবাদের হয়ে এদিন তিনি মাঠে নেমেছিলেন বছরের ১৮তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে। যার মধ্যে সাত ম্যাচে রান পেলেন না অভিষেক। এর আগে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে এক বছরে সর্বোচ্চ ৬টি টি-টোয়েন্টিতে ডাক খাওয়ার রেকর্ড ছিল গুরকিরাত সিং (২০১৩), সঞ্জু স্যামসন (২০২৪) ও রোহিত শর্মার (২০১৮)। যদিও রোহিত-স্যামসন বিব্রতকর এই কীর্তি গড়ার পথে ৩২টি ম্যাচ খেলেছিলেন। ম্যাচ এবং সময়ের তুলনায়ও তাদের ছাড়িয়ে গেলেন অভিষেক।
অবশ্য বাস্তবতা বলছে– অভিষেক শর্মার খেলার ধরনই এমন। তিনি বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা রোমাঞ্চকর ব্যাটার। তার দক্ষতা, মেজাজ এবং একই মানসিকতায় খেলার দৃঢ় সংকল্পই তাকে ২০২৫ সালে টি-টোয়েন্টির সর্বকালের সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিংধারী ব্যাটসম্যানে পরিণত করে। বর্তমানেও একই মনোভাবে ব্যাট করলেও ফল পাচ্ছেন বিপরীত। তার পাশাপাশি হায়দরাবাদের আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেডও গত আসরের মতো জ্বলে উঠতে পারছেন না, যে কারণে ভুগছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
হায়দরাবাদের হয়ে এদিনও অভিষেক-হেড (১৮) দ্রুত ফিরেছেন। যদিও অবশ্য এমন বিপর্যয়ে দলকে উদ্ধার করেছেন অধিনায়ক ইশান কিষাণ। ৪৪ বলে ৮ চার ও ৬ ছক্কায় তিনি ৯১ রান করেছেন। এ ছাড়া হেইনরিখ ক্লাসেন ৪০ ও নিতিশ কুমার রেড্ডি ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংস খেললে ২১৬ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছে হায়দরাবাদ। রান তাড়ায় ব্যাট করছে রাজস্থান।
এমআই/টিএ