© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

করোনার চিকিৎসা দিতে অনীহা, চট্টগ্রামে ১০ চিকিৎসক বরখাস্ত

শেয়ার করুন:
করোনার চিকিৎসা দিতে অনীহা, চট্টগ্রামে ১০ চিকিৎসক বরখাস্ত

প্রতীকী ছবি

own-reporter-chattogram
০৫:২৬ পিএম | ১৭ জুন, ২০২০

করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত অস্থায়ী ১০ জন চিকিৎসককে বরখাস্ত ও একজন স্টোর কিপারকে চাকরীচ্যুত করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। চসিকের সচিব স্বাক্ষরিত আদেশে মঙ্গলবার রাতে তাদের চাকরীচ্যুত করা হয়।

করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত অস্থায়ী ১০ জন চিকিৎসককে বরখাস্ত ও একজন স্টোর কিপারকে চাকরীচ্যুত করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। চসিকের সচিব স্বাক্ষরিত আদেশে মঙ্গলবার রাতে তাদের চাকরীচ্যুত করা হয়।

বরখাস্তকৃতরা হলেন- চসিকের মেডিকেল অফিসার ডা. সিদ্ধার্থ শংকর দেবনাথ, ডা. ফরিদুল আলম, ডা. আবদুল মজিদ সিকদার, ডা. সেলিনা আক্তার, ডা. বিজয় তালুকদার, ডা. মোহন দাশ, ডা. ইফতেখারুল ইসলাম, ডা. সন্দিপন রুদ্র, ডা. হিমেল আচার্য্য, ডা. প্রসেনজিৎ মিত্র এবং স্টোর কিপার মহসিন কবির।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী বলেন, চসিক পরিচালিত ও প্রতিষ্ঠিত নগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস রোডস্থ চট্টগ্রাম সিটি হল কমিউনিটি সেন্টারে ২৫০ শয্যার করোনা আইসোলেশন সেন্টারে চসিকের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে এনে ১৬ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বরখাস্ত হওয়া ১০ চিকিৎসক ও একজন স্টোর কিপার আইসোলেশন সেন্টারে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। এ কারণে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এসব চিকিৎসক অস্থায়ী (নো ওয়ার্ক নো পে) ভিত্তিতে চাকরি করে আসছিল। তাই তাদের কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা বলেন, প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা রক্ষায় ও অমানবিক কাজ করায় দশ চিকিৎসক ও একজন স্টাফকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। সেখানে মোট ১৬ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এরমধ্যে একজন অসুস্থ আর পাঁচজন আছে। এখন নতুন করে চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে তাদের ট্রেনিং দিয়ে আইসোলেশন সেন্টারটি চালু করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা মানব সেবা করার শপথ নিয়ে বিপদের সময় অমানবিক কাজ করছেন, সিটি করপোরেশনের চিকিৎসক হয়ে অফিস আদেশ মানেননি, তাদের চাকরি করার কোনো অধিকার নেই। তাদের সরকার ঘোষিত প্রণোদনা দেওয়া হবে। মেয়র মহোদয় দ্বিগুণ বেতন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সকল সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরপর কাজে যোগ না দেয়া খুবই দুঃখজনক।

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন