© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মানবতাবিরোধী অপরাধগুমের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে ফের সাক্ষ্য ২২ এপ্রিল

শেয়ার করুন:
গুমের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে ফের সাক্ষ্য ২২ এপ্রিল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৪০ পিএম | ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাক্ষীর জেরা শেষ হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২২ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ। 

এদিন তিন নম্বর সাক্ষী মুন্নী আক্তারকে জেরা করেন জিয়াউলের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। জেরায় সাক্ষীকে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে ফেলেন তিনি। ট্রাইব্যুনালে এসে অসত্য সাক্ষ্য দিয়েছেন বলেও দাবি করেন আইনজীবী।

মুন্নী আক্তারের স্বামীর নাম নজরুল ইসলাম। তাকে গুমের পর জিয়াউল আহসান হত্যা করেছেন বলে সাক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালকে জানিয়েছেন তিনি। গত ৮ এপ্রিল জবানবন্দির পর প্রথম দিনের জেরা হয়। তবে শেষ না হওয়ায় আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ এই সাক্ষীর জেরা সম্পন্ন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী টিটো।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, শাইখ মাহদীসহ অন্যরা।

এদিকে, আজ সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে এ মামলার একমাত্র আসামি জিয়াউলকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ।

চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি জিয়াউলের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। এ মামলায় সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আনা হয়। প্রথমটি হলো- ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ আরও তিনজনকে হত্যা। দ্বিতীয় অভিযোগে অপরাধের সময়কাল হলো ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এ সময়টায় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালঘেঁষা বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা। তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন