‘ডে-লাইট’ অফসাইডের নতুন নিয়ম: ডিফেন্ডারের পুরো শরীর না ছাড়ালে রেহাই পাবেন স্ট্রাইকার
ছবি: সংগৃহীত
০৭:৪৭ এএম | ২০ এপ্রিল, ২০২৬
কানাডায় ফুটবলের পরীক্ষামূলক নতুন ‘ডে-লাইট’ অফসাইড নিয়মের অধীনে প্রথম গোলটি করা হয়েছে। শনিবার হ্যালিফ্যাক্স ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে প্যাসিফিক এফসির ফরোয়ার্ড আলেজান্দ্রো দিয়াস ঐতিহাসিক গোলটি করেন।
আইএফএবির প্রচলিত নিয়মে এই গোলটি অফসাইড হিসেবে বাতিল হয়ে যেত। তবে ফিফার সহযোগিতায় কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) চলমান বিশেষ ট্রায়ালের কারণে গোলটি বৈধ বলে গণ্য হয়।
‘ডে-লাইট’ অফসাইড আসলে কী: ব্যাখ্যা অনুযায়ী, একজন আক্রমণকারীকে তখনই অফসাইড ধরা হবে যখন তার এবং প্রতিপক্ষের শেষ ডিফেন্ডারের (গোলরক্ষক বাদে) শরীরের মধ্যে একটি স্পষ্ট ফাঁকা বা ব্যবধান থাকবে।
বর্তমান নিয়মে শরীরের সামান্য অংশ এগিয়ে থাকলেও যেখানে অফসাইড হয়, নতুন নিয়মে সেখানে আক্রমণকারীর পুরো শরীর ডিফেন্ডারকে ছাড়িয়ে গেলে তবেই তা অফসাইড হবে।

কেন এই পরীক্ষা: আর্সেনালের সাবেক কোচ এবং বর্তমানে ফিফার ফুটবল উন্নয়ন প্রধান আর্সেন ভেঙ্গার দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়মের পক্ষে কথা বলে আসছেন। অফসাইড নিয়ে সূক্ষ্ম বিতর্ক কমাতে এবং আক্রমণাত্মক ফুটবলকে উৎসাহিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগই প্রথম শীর্ষ স্তরের লিগ হিসেবে এই নিয়মটি পরখ করে দেখছে। এর আগে ২০২৩ সালে ইতালির অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং নেদারল্যান্ডসের যুব লিগেও এর ছোট পরিসরে ট্রায়াল হয়েছিল।
ভবিষ্যৎ: তবে সমালোচকদের মতে, এই নিয়ম আক্রমণকারী দলকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সুবিধা দেবে। যা রক্ষণভাগের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
এই বছরের শেষ নাগাদ আইএফএবির কাছে এই ট্রায়ালের ফলাফল উপস্থাপন করা হবে। যদি এই পরীক্ষা সফল হয়, তবে ২০২৭-২৮ ইউরোপীয় মৌসুম থেকে সারা বিশ্বে ফুটবলের এই অফসাইড আইন চিরতরে বদলে যেতে পারে।
এমআই/টিকে