© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মানুষ হিসেবে মেসি এক নম্বর, কিন্তু আমার বাবা ছিলেন ঈশ্বর: ম্যারাডোনার ছেলে

শেয়ার করুন:
মানুষ হিসেবে মেসি এক নম্বর, কিন্তু আমার বাবা ছিলেন ঈশ্বর: ম্যারাডোনার ছেলে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৩১ পিএম | ২১ এপ্রিল, ২০২৬
গত সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে স্পেনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘লা রেভুয়েলতা’র নতুন পর্বে অতিথি হয়েছিলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা জুনিয়র, যিনি আর্জেন্টিনা ও বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তি দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনার ছেলে। ১৯৮৬ সালে ইতালিতে জন্ম ম্যারাডোনা জুনিয়রের, ঠিক একই বছরে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার ‘ফুটবল ঈশ্বর’।

২০২০ সালে কিংবদন্তি বাবার মৃত্যুর পর থেকেই ছেলে হিসেবে তিনি সব শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকেছেন। অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ব্রোনকানোর সঙ্গে আলাপকালে ম্যারাডোনা জুনিয়র তার বাবার জীবন নিয়ে বলেন, ‘তার জীবন ছিল জটিল, কিন্তু সুন্দর। তিনি সবচেয়ে মানবিক একজন মানুষ ছিলেন, যিনি জীবনকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেছেন। তবে কঠিন সময়ও ছিল। ভুল করেছেন, তার মূল্যও দিয়েছেন, কিন্তু কারো ক্ষতি করেননি।’

অনুষ্ঠানে ম্যারাডোনার এই ছেলে একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। তার দাবি, ম্যারাডোনার দুটি বিশ্বকাপ ‘কেড়ে' নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমার বাবার কাছ থেকে দুটি বিশ্বকাপ কেড়ে নেওয়া হয়েছে, ১৯৯০ ও ১৯৯৪ সালে। তার তিনটি বিশ্বকাপ জেতা উচিত ছিল।’



এরপর ব্রোনকানো তাকে লিওনেল মেসি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, তার আশপাশের লোকেরা সেটা হতে দেয়নি। মানুষ হিসেবে মেসি এক নম্বর, কিন্তু আমার বাবা ছিলেন ঈশ্বর।’

নিজের জীবন, বাবার সঙ্গে সম্পর্ক এবং ফুটবল ভালোবাসা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মা কখনও আমাকে মিথ্যা বলেননি, সবসময় সত্য বলেছেন।’

আরও বলেন, ‘২৯ বছর পর আমাদের ভালো সম্পর্ক হয়েছিল। যখন তার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল না, তখনও মানুষ এসে শুধু তার কথাই বলত। কিন্তু তিনি সবসময় আমার ভেতরে ছিলেন। আজ তিনি সবচেয়ে উপস্থিত, অনুপস্থিত মানুষ হয়েও। মাঠে ও মাঠের বাইরে তিনি অনেক আনন্দ দিয়েছেন। যতটুকু সময় তার সঙ্গে কাটিয়েছি, তা ছিল অসাধারণ। তিনি ছিলেন আমার সবচেয়ে সুখের দিনের অধিনায়ক।’

বাবা ম্যারাডোনার সঙ্গে তার কীভাবে পুনর্মিলন হয়েছিল? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তিনি টেলিভিশনে আমার একটি সাক্ষাৎকার দেখেছিলেন এবং বলেছিলেন আমার সঙ্গে কথা বলতে চান। আমি তার সঙ্গে ডিনারে যাই এবং বলি, আমি যেন স্বপ্নে আছি। খুব অদ্ভুত অনুভূতি ছিল। আমরা অতীত নিয়ে কথা বলিনি, বর্তমান নিয়ে কথা বলেছি এবং তারপর আমাদের ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়।’

এসএস/টিকে

মন্তব্য করুন