© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ছাড়া কেউ ধানমন্ডি ৩২ ভাঙ্গতে পারে না : আনিস আলমগীর

শেয়ার করুন:
স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ছাড়া কেউ ধানমন্ডি ৩২ ভাঙ্গতে পারে না : আনিস আলমগীর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:০৭ এএম | ০৪ মে, ২০২৬
সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, ৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন সেটাকে আমরা ধরে নিয়েছি, এটা একটা বিক্ষুব্ধ জনতার প্রয়াস। যদিও আমি জানি যে এটা বিক্ষুব্ধ জনতার প্রয়াস ছিল না। কারণ আমার বাসা ওখানেই।

আমি দেখেছি ওই লোকগুলোকে। আমি লাইভ করেছিলাম তখন এ ঘটনার। দেখেছি, তারা কী বলছিল। তারা বেশিরভাগই স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ছিল।

আমি দেখলাম, একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরছে। জড়িয়ে ধরে বলছে, হ্যাপি ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে। আমাদের ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে তো ১৬ ডিসেম্বর হয়ে গেছে। এখানে নতুন করে হ্যাপি ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে কোথা থেকে দেখা আসল? এটা স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ছাড়া তো আর কেউ করতে পারে না।
অন্য উৎসাহী জনতাও ছিল। কিন্তু মূল চক্রটা ছিল ওরা।

রবিবার (৩ মে) দেশের বেসরকারি টিভি চ্যানেলের এক টক শো-তে এসব কথা বলেন তিনি।

আনিস আলমগীর বলেন, এই চক্র বঙ্গবন্ধুর যত এখানে মূর্তি ছিল বা ভাস্কর্য ছিল, এগুলো ভাঙচুর করেছে, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এবং আমাদের শহীদদের আরো যে সমস্ত স্কাল্পচার ছিল সেগুলোকে ভাঙছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক যত কার্যক্রম দেশের মধ্যে ছিল একযুগে সব ভাঙচুর করা শুরু করেছে।

তাহলে আসলে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে পতন ঘটানোর দায়িত্ব ছিল? না মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করা, মুক্তিযুদ্ধকে আড়াল করা, মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা ছিল? এটা একটা বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিয়েছিল।

তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ড. ইউনূস তখন ক্ষমতায় ছিলেন না, ঠিক আছে, উনি দেখেননি। কিন্তু ৩২ নম্বর যখন ফেব্রুয়ারিতে ভাঙা হলো তখন উনার সরকার কী করছিল? উনারা চুপ করেছিলেন। ঘোষণা দিয়ে ভাঙা হয়েছে, উনার ক্যাবিনেটের লোকগুলো সেটাকে উৎসাহ দিচ্ছে। এভাবেই যখন চলছিল, তখন তো এটা ক্লিয়ার হয়ে গেছে যে উনি আসলে স্বাধীনতাবিরোধীদের একটা হাতের পুতুল। উনি তাদের খায়েশ বাস্তবায়ন করার জন্যই এদেশের শাসন ব্যবস্থা হাতে নিয়েছেন। কিংবা তাদের পুতুল হয়ে তাদের কথা অনুযায়ী চলছেন। আমি বলবো না যে তাদের খায়েশ বাস্তবায়ন করতে উনি এসেছেন। কিন্তু উনি তাদের খপ্পরে পড়ে গেছেন। তাদের খপ্পরে পড়ে উনি উনার মতো করে রাষ্ট্র চালিয়েছেন। এমন একটা দুঃসহ সময় আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন, ১৮ মাস। এ দেশ, এ জাতি এর থেকে বড় নির্যাতন আর কখনো পায়নি।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন