চসিকে নিলামের শিডিউল কিনতে বাধার মুখে ব্যবসায়ীরা
ছবি: সংগৃহীত
০৫:৫১ এএম | ০৫ মে, ২০২৬
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে (চসিক) একটি নিলামের শিডিউল কিনতে বাধার মুখে পড়েছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী।
সোমবার (৪ মে) নগরীর টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ৫০-৬০ লাখ টাকার স্ক্র্যাপ কম দামে কিনতে একটি পক্ষ চসিক কার্যালয়ে বাধা দিচ্ছেন ব্যবসায়ীদের। নিলামে যাতে সর্বোচ্চ দরদাতা কেউ না থাকে এজন্য সিন্ডিকেটের বাইরে কাউকে শিডিউল কিনতে দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
চসিক সূত্র জানায়, ইলেকট্রিক ও লোহার অকেজো জিনিষপত্র বিক্রির জন্য গত ২২ এপ্রিল ‘পুনঃনিলাম দরপত্র’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে চসিকের প্রকৌশল বিভাগ। বিজ্ঞপ্তিতে ৫ মে টেন্ডার ডকুমেন্ট বিক্রয়ের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ৬ মে নির্ধারণ করা হয়েছে টেন্ডার গ্রহণের শেষ তারিখ। ওইদিনই টেন্ডার বক্স খোলার ধার্য করা হয়েছে। এই নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে ওটিএম পদ্ধতিতে (যেখানে যোগ্য যে কোনো ঠিকাদার বা সরবরাহকারী অংশ নিতে পারেন)।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদার বলেন, ‘আমি শিডিউল কিনতে গিয়েছিলাম। কিন্তু বাধার মুখে নিতে না পেরে ফিরে এসেছি। যারা বাধা দিয়েছে তারা যেমন বিএনপি করে, আমিও করি। তবে তারা মেয়রের পছন্দের মানুষ, আর আমি পছন্দের না, পার্থক্য এটুকুই।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিন্ডিকেট করে ৫০-৬০ লাখ টাকার স্ক্র্যাপ কম দামে নেওয়ার জন্য একটি পক্ষ পায়তারা করছে। প্রতিযোগী না থাকলে হয়তো একটি পক্ষ হয়তো লাভবান হবে। তবে ক্ষতির মুখে পড়বে চসিক। এটা কখনোই কাম্য নয়।’
বিষয়টি নিশ্চিত করে চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র আহ্বানকারী কর্মকর্তা তাসমিয়াহ তাহসীন দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দুপুরে শিডিউল দেওয়া হচ্ছিল না, এমন খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করি। পরে যথারীতি শিডিউল বিক্রির জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। এ বিষয়টি ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
শিডিউল বিক্রির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশল বিভাগের উচ্চমান সহকারী মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘যারা ম্যাডামের (তাসমিয়াহ তাহসীন) কাছ থেকে স্বাক্ষর নিয়ে আমাদের কাছে আসতে পেরেছে, তারা শিডিউল পেয়েছে। যারা আসতে পারে নাই, তারা হয়তো নিতে পারে নাই। পথে কাউকে বাধা দেওয়া হয়েছে কি না বলতে পারি না।’
এসকে/টিএ