© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নারায়ণগঞ্জে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১০

শেয়ার করুন:
নারায়ণগঞ্জে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১০

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৩৫ এএম | ০৬ মে, ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ নগরীর মাসদাইর এলাকায় র‍্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফতুল্লায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে র‍্যাব-১১ ও ফতুল্লা থানা পুলিশ।

অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র, নগদ অর্থ, টাকা গোনার মেশিন ও একটি ড্রোন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন ১০ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাত ৯টার দিকে ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগ নূর মসজিদ এলাকায় একটি ছয়তলা ও একটি দুইতলা বাড়িতে যৌথ অভিযান চালানো হয়। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত ছিল বলে জানায় র‍্যাব।

র‍্যাব-১১ এর উপ-অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নাঈম উল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে দুটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৫ মন গাঁজা, ১০ থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবা, নগদ ১০ লাখ টাকার বেশি অর্থ, টাকা গোনার মেশিন ও একটি ড্রোন উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও রাম দা, চাপাতি, ছুরি, চাইনিজ কুড়াল ও লোহার পাইপসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। 

অভিযান চলাকালে মাদক ও অস্ত্র কারবারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

র‍্যাব সূত্র জানায়, এর আগে একই দিন দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর বোয়ালিয়া খাল লিচুবাগ এলাকায় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে গেলে র‍্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালায় মাদক কারবারিরা। হামলায় তিন র‍্যাব সদস্য আহত হন। পরে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত র‍্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে অভিযান শুরু করা হয়।

র‍্যাব কর্মকর্তা নাঈম উল হক বলেন, দেওভোগ এলাকার এই মাদক স্পটটি দীর্ঘদিন ধরে রাসেল ও রাশেদ নামে দুই ভাই নিয়ন্ত্রণ করছিল। তাদের সহযোগী রাজু ও আরও কয়েকজন মিলে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম থেকে মাদক এনে নারায়ণগঞ্জে মজুত করত। পরে সেখান থেকে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করা হতো। 

তিনি আরও জানান, উদ্ধার হওয়া মাদক, অস্ত্র ও নগদ অর্থ ফতুল্লা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি হামলা ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


ইউটি/টিএ

মন্তব্য করুন