© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বোর্ড পরিচালনায় অনিয়ম, আর্থিক সহায়তা বন্ধ করল আইসিসি

শেয়ার করুন:
বোর্ড পরিচালনায় অনিয়ম, আর্থিক সহায়তা বন্ধ করল আইসিসি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:০৭ পিএম | ১৬ মে, ২০২৬
পরিচালনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ছয় মাসের জন্য ক্রিকেট কানাডার অর্থায়ন স্থগিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কানাডা ক্রিকেট বোর্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়। যা কানাডিয়ান ক্রিকেটের জন্য বড় ধাক্কা। কারণ সহযোগী দেশগুলোকে আইসিসির অর্থায়নের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করতে হয়।

ইএসপিএন ক্রিকইনফো এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই অর্থায়ন স্থগিতের সিদ্ধান্তে ক্রিকেট কার্যক্রম বা উচ্চ পারফরম্যান্স কর্মসূচিতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রভাব পড়বে না। তবে সহযোগী সদস্য দেশ হওয়ায় ক্রিকেট কানাডার জন্য বড় ধাক্কা এটি। ২০২৪ অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বোর্ডটির মোট আয় ৫.৭ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারের মধ্যে ৩.৬ মিলিয়ন ডলারই এসেছে আইসিসির কাছ থেকে, যা মোট আয়ের ৬৩ শতাংশ।

যদিও কানাডা ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনায় ব্যর্থতার নির্দিষ্ট কারণ এখনও প্রকাশিত হয়নি। তবে কানাডার অনুসন্ধানী প্রামাণ্য অনুষ্ঠান ‘দ্য ফিফথ স্টেট’ জানিয়েছে, আইসিসির নীতিমালা ভঙ্গ, ক্রিকেট কানাডার পরিচালনা নিয়ে উদ্বেগ এবং আর্থিক তদারকির ঘাটতির অভিযোগ রয়েছে। ক্রিকেট কানাডা সাম্প্রতিক সময়ে মাঠের ভেতরে ও বাইরে নানা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কানাডা-নিউজিল্যান্ড ম্যাচটি নিয়েও তদন্ত করছে আইসিসির দুর্নীতি দমন ও সততা ইউনিট।



এ ছাড়া আরেকটি তদন্ত শুরু হয়েছে কানাডার সাবেক কোচ খুররম চৌহানকে ঘিরে ফাঁস হওয়া এক ফোনালাপের অডিওকে কেন্দ্র করে। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ক্রিকেট কানাডার তৎকালীন (বর্তমানে সাবেক) শীর্ষ বোর্ড সদস্যরা জাতীয় দলে নির্দিষ্ট খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্ত করতে তার ওপর চাপ প্রয়োগ করেছেন। ওই অডিওতে ম্যাচে দুর্নীতি চেষ্টারও অভিযোগ রয়েছে।

দুর্নীতি তদন্ত নিয়ে গত মাসে ক্রিকইনফোকে আইসিসির অন্তর্বর্তীকালীন অ্যান্টি-ইন্টেগ্রিটি ইউনিট প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ বলেন, ‘আইসিসি সদস্য দেশগুলোর শাসনসংক্রান্ত বিষয় যখন তাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে, তখন সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিবেচনা করে।’

ক্রিকেট কানাডার প্রশাসনিক নিয়োগ নিয়েও গত বছর বিতর্ক হয়েছিল। বিশেষত সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালমান খানের নিয়োগ ও অল্প সময়ের মাঝে অপসারণের বিষয় অন্যতম। তার বিরুদ্ধে পূর্বের ফৌজদারি অভিযোগ গোপন রাখার বিষয়টি আইসিসির নজরে আসে। পরে সালমানের বিরুদ্ধে চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগ আনে ক্যালগারি পুলিশ। যদিও তিনি সেসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। এপ্রিলে আমজাদ বাজওয়ার জায়গা ক্রিকেট কানাডার অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতির দায়িত্ব পান অরভিন্দর খোসা।

টিজে/টিএ 

মন্তব্য করুন