© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইরানি টেলিভিশনে অস্ত্র প্রশিক্ষণ: দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা

শেয়ার করুন:
ইরানি টেলিভিশনে অস্ত্র প্রশিক্ষণ: দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:১৩ পিএম | ১৭ মে, ২০২৬
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি-তে অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ এবং সামরিক আবহ-সংবলিত বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান সম্প্রচার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

ওফোগ চ্যানেলে প্রচারিত এমনই একটি অনুষ্ঠানে মাস্ক পরা ও সামরিক পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তিকে উপস্থাপককে কালাশনিকভ রাইফেল প্রস্তুত ও গুলি করার পদ্ধতি শেখাতে দেখা যায়। অনুষ্ঠানের শেষ অংশে উপস্থাপক স্টুডিওর ডেকোরেশনে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকার একটি ছবির দিকে গুলি ছুড়েন।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় এক ইসরায়েলি সাংবাদিক লিখেছেন, ওফোগ চ্যানেলের এই কালাশনিকভব্যবহারের নির্দেশনামূলক ভিডিওটি আমেরিকার সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে তেহরানের উদ্বেগের লক্ষণ হতে পারে। একই সাথে এটি জনমনে জরুরি অবস্থা ও সতর্কতার আবহ তৈরির চেষ্টা হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে, মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জ্যাকসন হিঙ্কল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আমেরিকার সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জনগণকে কালাশনিকভ ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

একই সময়ে, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের অন্য কিছু অনুষ্ঠানেও উপস্থাপকদের অস্ত্র হাতে বা যুদ্ধে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে। চ্যানেল থ্রি-র উপস্থাপিকা মবিনা নাসিরি একটি অনুষ্ঠানে অস্ত্র হাতে হাজির হয়ে ঘোষণা করেন, প্রয়োজন হলে তিনি অন্য নারীদের সাথে "জান-ফিদাই" হিসেবে যুদ্ধে অংশ নেবেন।

ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থল হামলার হুমকির পর জনগণের যুদ্ধের প্রস্তুতি ঘোষণার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি "জান-ফিদাই" ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৩১ মিলিয়নেরও বেশি ইরানি এই ক্যাম্পেইনে নিবন্ধন করেছেন।

এসব অনুষ্ঠানের অংশবিশেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কেউ কেউ একে অঞ্চলের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে জনগণকে প্রস্তুত করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে জাতীয় গণমাধ্যমে অস্ত্রের প্রদর্শনকে স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপনের সমালোচনা করেছেন।

সূত্র: ওয়ানা নিউজ

এসএন 

মন্তব্য করুন