© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ময়মনসিংহে প্রস্তুত ২ লাখ ২৬ হাজারের বেশি কোরবানির পশু

শেয়ার করুন:
ময়মনসিংহে প্রস্তুত ২ লাখ ২৬ হাজারের বেশি কোরবানির পশু

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৩৯ এএম | ১৮ মে, ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ময়মনসিংহে প্রস্তুত করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজারের বেশি গবাদিপশু। এবার গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় কাঙ্ক্ষিত মুনাফা নিয়ে কিছুটা শঙ্কায় রয়েছেন খামারিরা। তবে ভারত থেকে অবৈধভাবে গরু প্রবেশ না করলে বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন তারা।

ময়মনসিংহের চর ঈশ্বরদিয়া এলাকার একটি খামারে কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে শাহিওয়াল ও দেশি জাতের ৪৪টি গরু।

জেলার ছোট-বড় প্রায় ২৪ হাজার খামারে এখন চলছে শেষ সময়ের পরিচর্যা। পশুগুলোকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বিভিন্ন জেলাতেও এসব পশু বিক্রির আশা খামারিদের। তবে ভারত থেকে অবৈধ পথে গরু প্রবেশের একটি শঙ্কাও তাদের মাঝে কাজ করছে। খামারিরা বলছেন, অবৈধভাবে গরু আমদানি না হলে বাজারে ভালো দাম মিলবে। এতে লাভের মুখ দেখবেন খামারিরা।

এ বিষয়ে এক খামারি বলেন, আমরা পশুগুলোকে একদম প্রাকৃতিকভাবে খাবার দেয়াসহ লালন-পালন করছি। প্রত্যাশা অনুযায়ী গ্রোথও হয়েছে। এখন ভালো দামে বিক্রির আশায় আছি। তবে ন্যায্য দাম না মিললে টিকে থাকা কঠিন হবে।

আরেকজন খামারি বলেন, সীমান্ত দিয়ে যদি গরু না আসে, তাহলে আমরা ভালো দাম পাব। কিন্তু গরু চলে আসলে দাম কমে যাবে। এটা যেন সরকার দেখে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের তথ্যমতে, কোরবানির জন্য এবার ময়মনসিংহ জেলায় ১ লাখ ৮১ হাজার ২৬৬টি পশুর চাহিদার বিপরীতে প্রস্তুত রয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৪৮টি পশু। এর মধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৭টি গরু, ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬৬টি ছাগল, ৫ হাজার ৩৪৪টি ভেড়া ও ৮৮৬টি মহিষ রয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ওয়াহেদুল আলম বলেন, আমরা ইতোমধ্যে কোরবানির পশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ৫৬টি মেডিকেল টিম গঠন করেছি। আর খামারিরা যাতে ক্ষতির মুখে না পড়েন, সে বিষয়টি মাথায় রেখে সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনো পশু অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ আমরা সতর্ক রয়েছি।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন