© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে পতন

শেয়ার করুন:
বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে পতন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৩৩ পিএম | ১৯ মে, ২০২৬
শক্তিশালী মার্কিন ডলার, উচ্চ ট্রেজারি ইল্ড এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ২ শতাংশের বেশি কমেছে। একইসঙ্গে কমেছে রুপাসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মঙ্গলবার (১৯ মে) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৭৪.৪০ ডলারে নেমেছে। দিনের শুরুতে এটি ৩০ মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়। এছাড়া জুন মাসে ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ১.৮ শতাংশ কমে ৪,৪৭৬.৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

মারেক্সের বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেয়ার বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রকৃত সুদের হার বাড়ছে, যা স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে ডলারও শক্তিশালী হচ্ছে, যা স্বর্ণের বাজারের জন্য নেতিবাচক।
১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করছে। একই সময়ে মার্কিন ডলারও শক্তিশালী হয়েছে।

ট্রেজারি ইল্ড বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ ব্যয় বেড়ে যায়। অন্যদিকে ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রার বিনিয়োগকারীদের জন্য ডলার-মূল্যের স্বর্ণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে।
এদিকে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দামও বেড়েছে। এতে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্যাক্সো ব্যাংকের পণ্য কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে হ্যানসেন বলেন, দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণে বিনিয়োগের যৌক্তিকতা এখনো রয়েছে। তবে স্বল্পমেয়াদে সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বর্ণের জন্য কঠিন পরিবেশ তৈরি করেছে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানিসংক্রান্ত তাৎক্ষণিক চাপ কমতে শুরু করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার প্রবণতা আবার বাজারের বড় চালক হয়ে উঠতে পারে।

বাজারের অংশগ্রহণকারীরা এখন ফেডের সর্বশেষ নীতি নির্ধারণী সভার কার্যবিবরণীর জন্য অপেক্ষা করছেন, যা বুধবার প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে তারা ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির দিকনির্দেশনা বোঝার চেষ্টা করবেন। বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও বাড়াতে পারে।

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও বড় পতন দেখা গেছে। স্পট রুপার দাম ৫.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৩.২৫ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ২.৮ শতাংশ কমে ১,৯২৩.৫৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩.৩ শতাংশ কমে ১,৩৭১.২৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।


এসএ/টিএ

মন্তব্য করুন