© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষাবিষয়ক দুইটি চুক্তির কথা শুনতে পাচ্ছি : মাসুদ কামাল

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষাবিষয়ক দুইটি চুক্তির কথা শুনতে পাচ্ছি : মাসুদ কামাল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:০৭ পিএম | ২১ মে, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরো দুইটি চুক্তির কথা শুনতে পাচ্ছি বলে জানিয়েছেন সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল। তিনি দাবি করেন, এই দুইটি চুক্তিই প্রতিরক্ষা বিষয়ক।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ‘কথা’-তে প্রকাশিত এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

মাসুদ কামাল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যখন সকল মহলের কথা হচ্ছে তখন আমরা দেখছি এটা নিয়ে সরকার কোন উচ্চবাচ্য করছে না, বিরোধীদল কোন উচ্চবাচ্য করছে না, সবাই একদম চুপ হয়ে আছে। তারা যেন কোনো একটা ভয় পাচ্ছে অথবা তারা যেন ব্যাপারটাকে মেনে নিয়েছে।

তিনি বলেন, ভয়াবহ কথা হলো যখন এই চুক্তি নিয়ে এত আলোচনা তখন একই সঙ্গে আরো দুটো চুক্তির কথা আমরা কিন্তু শুনতে পাচ্ছি। বলা ভালো দুটোই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এবং দুটো হলো প্রতিরক্ষা বিষয়ক চুক্তি।

এই চুক্তি দুটির নাম যতটুকু আমরা জেনেছি সেটা হলো—সামরিক তথ্যের সাধারণ নিরাপত্তা চুক্তি যেটাকে সংক্ষেপে ইংরেজিতে বলা হচ্ছে জিএসওএমআইএ। আরেকটা হলো অধিগ্রহণ এবং পারস্পরিক সেবা চুক্তি যেটা এসিএসএ। এই দুইটা চুক্তি স্বাক্ষরের একদম শেষ পর্যায়ে আছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।

মাসুদ কামাল বলেন, গত কয়েকদিন আগে থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় এটা নিয়ে কেউ কেউ লেখালেখি করছিল।

আমি তেমন কোন তথ্য প্রমাণ পাচ্ছিলাম না বলে কিছু বলতে পাচ্ছিলাম না। কিন্তু আজকে আমি একটু দেখলাম যে ‘মেরিটাইম ইনসাইট’ নামক একটা আন্তর্জাতিক মিডিয়া তারাও এই চুক্তির কথা বলেছে এবং তারা যে নিউজটা করেছে সেই নিউজের শিরোনামে বলা হচ্ছে, ‘ইউএস প্লানস টু ডেপ্লোয় ওয়ারসিপ ইন বাংলাদেশ, ক্লোজার টু ইন্ডিয়া এন্ড চায়না’।

তিনি বলেন, এই চুক্তিটা হলে পর কি প্রতিক্রিয়া হতে পারে? কি ঝামেলায় আমরা পড়তে পারি? সে সম্পর্কে একটা ইঙ্গিত কিন্তু এই নিউজের মধ্যে দেওয়া আছে। চীন এবং ভারত এটাকে সহজভাবে নাও নিতে পারে। এখন প্রশ্ন হলো চুক্তিতে কি আছে? আমরা চুক্তি বিষয়টা যদি বোঝার চেষ্টা করি এই চুক্তিতে যে কথাটা বেসিক্যালি বলা হয়েছে অনেক কথার ফাঁক দিয়ে যেটা বলা হয়েছে যে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ এবং সামরিক বিমান এগুলো বাংলাদেশের বন্দর এবং বিমানঘাঁটিগুলো জ্বালানি সংগ্রহ রক্ষণাবেক্ষণ এবং লজিস্টিক সহায়তার জন্য ব্যবহার করতে পারবে।

আমাদের নৌবন্দর, আমাদের বিমানবন্দর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবে।

এমআই/এসএন  

মন্তব্য করুন