সাইফকে বিয়ের আগে কংগ্রেস নেতাকে ডেট করতে চেয়েছিলেন কারিনা
ছবি: সংগৃহীত
০৮:৫৯ এএম | ২৪ মে, ২০২৬
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে চর্চা। বহু পুরোনো একটি সাক্ষাৎকার আবারও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এক অজানা অধ্যায়। সাইফ আলি খানকে বিয়ের অনেক আগে এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে বিশেষ আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন কারিনা, যা সে সময়ও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
কাপুর পরিবারের মেয়ে কারিনা নিজের অভিনয়জীবনে একের পর এক সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। বর্তমানে স্বামী সাইফ আলি খান ও দুই সন্তানকে নিয়ে সুখী সংসার করছেন তিনি। তবে একসময় তাঁর নাম জড়িয়েছে বলিউডের একাধিক তারকার সঙ্গে। সেই তালিকার বাইরেও ছিল এক চমকপ্রদ নাম কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
দুই হাজার দশকের শুরুতে জনপ্রিয় উপস্থাপক সিমি গারেওয়ালের আলাপচারিতামূলক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন কারিনা। সেখানেই তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বিশ্বের এমন একজন মানুষকে যদি বেছে নিতে বলা হয়, যার সঙ্গে তিনি সময় কাটাতে বা ডেটে যেতে চান, তাহলে তিনি কাকে বেছে নেবেন। প্রশ্ন শুনে কিছুটা দ্বিধায় পড়লেও শেষ পর্যন্ত রাহুল গান্ধীর নামই উচ্চারণ করেছিলেন অভিনেত্রী।
কারিনা বলেছিলেন, এই কথা বলা ঠিক হবে কি না তিনি নিশ্চিত নন, কারণ বিষয়টি বিতর্ক তৈরি করতে পারে। তবে রাহুল গান্ধীকে তাঁর বেশ আকর্ষণীয় মনে হয় বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। কারিনার ভাষায়, তিনি একটি চলচ্চিত্র পরিবার থেকে এসেছেন আর রাহুল রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। তাই তাঁদের মধ্যে অনেক বিষয় নিয়ে আকর্ষণীয় আলোচনা হতে পারে বলেই মনে হয়েছিল তাঁর।
সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ্যে আসার পরই তা নিয়ে শুরু হয়েছিল জোর আলোচনা। সামাজিক মাধ্যমে বহুবার ছড়িয়ে পড়ে সেই ভিডিও। অনেকে বিষয়টিকে মজার ছলে নিলেও, কেউ কেউ আবার তা নিয়ে সমালোচনাও করেছিলেন।

তবে পরে অবশ্য নিজের বক্তব্য থেকে কিছুটা সরে আসেন কারিনা। ‘ওমকারা’ সিনেমার প্রচারণার সময় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে জানান, তিনি কখনও বলেননি যে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সত্যিই ডেট করতে চান। তাঁর দাবি, দু’জনই বড় ও পরিচিত পরিবারের সদস্য হওয়ায় হয়তো এমন মন্তব্য করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি এটাও বলেন, ভবিষ্যতে রাহুল গান্ধী দেশের প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি খুশি হবেন।
বহু বছর আগের সেই মন্তব্যই এখন আবার নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বলিউড আর রাজনীতির এই পুরোনো যোগসূত্র ঘিরে নেটদুনিয়ায় চলছে নানা আলোচনা।
পিআর/টিকে