জর্জিনার পাঠানো উপহার নিয়ে কী বললেন মেসির স্ত্রী?
ছবি: সংগৃহীত
১০:৩২ পিএম | ০৭ জুলাই, ২০২৬
ফুটবলে প্রায় দুই দশক ধরে আলোচনায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মাঠে এই দুই তারকার লড়াই চললেও দুই পরিবারের মধ্যে সৌহার্দ্যের চিত্র ফুটে উঠেছে মেসির স্ত্রীকে রোনালদোর বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজের পাঠানো উপহারের মাধ্যমে।
সম্প্রতি জর্জিনা রদ্রিগেজ নিজের নতুন ফ্যাশান ব্র্যান্ড ‘মিমোয়া’ পোশাক উপহার পাঠিয়েছেন মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জুর কাছে। এই উপহারের ছবি সবার আগে নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে প্রকাশ করেন আন্তোনেল্লা।
স্টোরিতে জর্জিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আন্তোনেল্লা লেখেন, ‘অনেক ধন্যবাদ, জর্জিনা রদ্রিগেজ। সবকিছুই দারুণ সুন্দর। তোমার নতুন উদ্যোগের জন্য অনেক শুভকামনা।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তোনেল্লার সাড়ে চার কোটিরও বেশি অনুসারী থাকায় পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে। ভক্তরা এটিকে শুধু উপহার নয়; বরং দুই তারকার পরিবারের আন্তরিক সম্পর্কের ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবেও দেখছেন।
আন্তোনেল্লা ও মেসির পরিচয়ের গল্পও দীর্ঘদিনের। দুজনেরই জন্ম আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে। অন্যদিকে জর্জিনা রদ্রিগেজের জন্ম বুয়েনেস এইরেসে। ব্যক্তিগত জীবনে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের প্রকাশ্য কোনো নজির খুব বেশি না মিললেও বিরূপ সম্পর্কেরও কোনো তথ্য নেই। বরং সাম্প্রতিক এই শুভেচ্ছা বিনিময় ইতিবাচক সম্পর্কেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জর্জিনা তার নতুন ব্র্যান্ড ‘মিমোয়া’র প্রচারণা শুরু করেন বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের ম্যাচে। সে সময় গ্যালারিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এমন একটি জার্সি পরেছিলেন, যার পেছনে ব্র্যান্ডটির নাম লেখা ছিল। ‘মিমোয়া’ মূলত নারীদের জন্য আরামদায়ক ও বহুমুখী পোশাক তৈরির লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে।
এদিকে মাঠের লড়াইয়ে পর্তুগালের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়েছে শেষ ষোলোতেই। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে রোনালদোর বিশ্বকাপ অধ্যায়ও। অন্যদিকে চলমান আসরটিই মেসিরও শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে ধরা হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিনের সেই ঐতিহাসিক মেসি-রোনালদো প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষের পথে।
তবে ফুটবল অধ্যায় শেষ হলেও দুই কিংবদন্তির সম্পর্ক নতুন কোনো রূপ নিতে পারে বলেই মনে করছেন অনেক সমর্থক। প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়, ভবিষ্যতে কোনো সামাজিক, বাণিজ্যিক বা মানবিক উদ্যোগে মেসি ও রোনালদোকে একসঙ্গে দেখা গেলে সেটি আর খুব একটা অপ্রত্যাশিত হবে না দুই পরিবারের সাম্প্রতিক এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ঘটনাই যেন সেই সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এসএ/এসএন