ইতিহাসের প্রফেসর সোনাদা, বাস্তবে কী ইতিহাস ভালোবাসেন আবির?
ছবি: সংগৃহীত
০৯:১০ এএম | ২৪ মে, ২০২৬
পর্দায় তিনি ইতিহাসের অধ্যাপক। রহস্য, গুপ্তধন আর বুদ্ধির খেলায় যিনি বারবার মুগ্ধ করেছেন দর্শকদের। ‘সোনাদা’ নামেই এখন ছোট-বড় সবার কাছে পরিচিত আবির চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু যে চরিত্র ইতিহাসকে এতটা ভালোবাসে, বাস্তব জীবনের আবির কি সবসময় ইতিহাসের প্রতি এতটাই অনুরাগী ছিলেন? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই প্রশ্নেরই খোলামেলা উত্তর দিলেন অভিনেতা।
আবির জানান, ছোটবেলায় ইতিহাস তাঁর খুব একটা পছন্দের বিষয় ছিল না। বরং অন্য বিষয় পড়তেই বেশি স্বচ্ছন্দ ছিলেন তিনি। ইতিহাস মানেই অসংখ্য সাল-তারিখ মনে রাখা, বড় বড় উত্তর লেখা এসবের কারণেই বিষয়টি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতেন। তাঁর কথায়, সে সময় ইতিহাস পড়া মানেই ছিল দীর্ঘ উত্তর লিখে খাতা ভরানো। অনেক সময় পুরো বিষয় মনে না থাকলেও একই কথাকে ভেঙে ভেঙে লিখে উত্তর বড় করার প্রবণতাও ছিল ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে।
অভিনেতার মতে, দুই হাজার পাঁচ সালের আগের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিহাসকে অনেকেই কঠিন বিষয় হিসেবেই দেখতেন। তাই অন্যান্য ছাত্রদের মতো তিনিও ইতিহাসকে খুব একটা আপন করে নিতে পারেননি। তবে সময়ের সঙ্গে সেই ভাবনায় বদল এসেছে।

আবির মনে করেন, প্রত্যেক মানুষের নিজের দেশের ইতিহাস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসের প্রতি তাঁর আগ্রহও বেড়েছে। এখন আর নম্বর পাওয়ার চাপ নেই বলেই হয়তো ইতিহাসকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে পেরেছেন তিনি। একসময় যে বিষয়কে কঠিন মনে হতো, আজ সেটিই তাঁকে টানে।
সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘সপ্তডিঙ্গার গুপ্তধন’। ছবিতে আবারও সোনাদার চরিত্রে দেখা গেছে আবিরকে। রহস্য আর রোমাঞ্চে ভরপুর এই সিনেমা ইতোমধ্যেই দর্শকদের মন জয় করেছে। গরমের ছুটিতে পরিবার নিয়ে সিনেমা হলে ভিড় করছেন অনেকে। গুপ্তধনের খোঁজ, ইতিহাসের ইঙ্গিত আর টানটান কাহিনি সব মিলিয়ে ছবিটি পেয়েছে দর্শকদের প্রশংসা।
এই ছবিতেও আবিরের সঙ্গে রয়েছেন ইশা সাহা ও অর্জুন চক্রবর্তী। পাশাপাশি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় ও রজতাভ দত্তের উপস্থিতিও বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে। বিশেষ করে বহু বছর পর ‘দশানন’ চরিত্রকে আবার পর্দায় দেখে উচ্ছ্বসিত দর্শকরা।
পিআর/টিকে