© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রংপুরে ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন:
রংপুরে ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:০২ পিএম | ২৪ মে, ২০২৬
রংপুরের পীরগঞ্জে আলোচিত ট্রান্সফর্মার চুরি ও স্কুল কর্মচারী মফিজার রহমান (৪৬) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মূল সদস্যসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
একই সঙ্গে চুরি কাজে ব্যবহৃত একটি নৌকা, মাইক্রোবাস, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও ট্রান্সফর্মারের ভেতরের তামার কয়েল উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় জেলা পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানান অপরাধী যেই হোক তার বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকেবে।

এদিকে রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক হায়দারের দিকনির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), ডিবি পুলিশ এবং পীরগঞ্জ থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি চৌকস টিম গঠন করা হয়।
গত ২৩ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পীরগঞ্জ থানার মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার খেতুপাড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. জামিকুল ইসলাম (৩২), জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার আমলাপুকুর এলাকার মো. আব্দুল জলিল (৩৮), গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পুর্বমঠ এলাকার সবুজ আকন্দ ওরফে শামীম (৩৪), গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বাশকাটা গ্রামের মো. শাহিন (৩৮), একই উপজেলার কবিরপুর সোনাতলা এলাকার আনিছুর রহমান (৪০) এবং মো. আমিকুল ইসলাম সরকার (৫৫)।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ট্রান্সফর্মার চুরি এবং মফিজার রহমান হত্যার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি নৌকা, একটি মাইক্রোবাস, ট্রান্সফর্মার কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং তিনটি ট্রান্সফর্মারের ভেতরে থাকা তামার কয়েল উদ্ধার করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটি ছিল অত্যন্ত রহস্যজনক ও চাঞ্চল্যকর। দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ট্রান্সফর্মার চুরি করে আসছিল। পীরগঞ্জে চুরির সময় বাধা দিতে গেলে স্কুল কর্মচারী মফিজার রহমানকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

রংপুর জেলা পুলিশ বলছে, সম্প্রতি জেলার কয়েকটি আলোচিত হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে তারা সফল হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় এই মামলার মূল রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তাররা আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। এছাড়া এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা বলেন, ‘অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। আন্তঃজেলা এই চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।’

টিকে/

মন্তব্য করুন