দেবীদ্বারে ২ এনসিপি নেতার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিএনপি নেতাকর্মীর হামলার অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত
০৯:২১ পিএম | ২৪ মে, ২০২৬
কুমিল্লার দেবীদ্বারে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এনসিপির দুই নেতার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
রবিবার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলার ভানী ইউনিয়নের খাদঘর বড়বাড়ী এলাকার ফরিদ মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী এনসিপি নেতা মো. ফয়সাল ও সাব্বির হোসেন বলেন, ‘শনিবার স্কুলের একটি কক্ষ বন্ধ করে গোপনে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের চেষ্টা করেন বিএনপির কয়েকজন নেতা। খবর পেয়ে আমরা গিয়ে বাধা দিই।
এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। রবিবার দুপুরে বিএনপির একদল লোক আমাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে।
দোকানে কোরবানির জন্য সংরক্ষিত প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা, ৬টি বাসের গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স ও কাগজপত্র, জমির মূল দলিল-খতিয়ানসহ ডেকোরেশন ও লাইটিংয়ের বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।’
খাদঘর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভিন আক্তার বলেন, ‘ঈদের পর ম্যানেজিং কমিটির তালিকা জমা দেওয়ার কথা। আমি গ্রামের কয়েকজনকে নিয়ে কমিটির নাম রাফ তালিকা করতে বসি। এমন সময় কয়েকজন এসে স্কুলে গণ্ডগোল করে। এ সময় আমি স্কুলের গেট তালাবদ্ধ করে ফেলি। পরে বাহিরে কী হয়েছে আমরা আর জানা নেই।’
তবে হামলার ঘটনা অস্বীকার করেছেন বিএনপির সাবেক নেতা সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘শনিবার আমরা গ্রামের লোকজন বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনের জন্য বসি।
শেষ পর্যায়ে এসে এনসিপির কয়েকজন নেতা তাসলিম আহমেদ বাবু নামের একজনকে সভাপতি ঠিক রেখে বাকি পদে অন্যদের নাম দিতে বলেন। এ নিয়ে মারামারি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে সোহেল নামের একজনকে মারধরও করা হয়। আমি এখন কুমিল্লায়। ফয়সাল ও সাব্বিরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কারা ভেঙেছে, তা আমি জানি না।’
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ভাঙচুরের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগও দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এমআই/টিএ