দুদকের অনুসন্ধানশিপিং করপোরেশনে নাবিক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও ঘুষ বাণিজ্য
ছবি: সংগৃহীত
০১:৪৫ এএম | ২৫ মে, ২০২৬
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, চট্টগ্রামে স্বজনপ্রীতি, নাবিকদের হয়রানি, নাবিক সিলেকশনে অনিয়ম, নানাবিধ অনিয়ম ও বৈষম্য সৃষ্টির অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অভিযোগ অনুসন্ধানে নথিপত্র তলব করা হয়েছে। যা এখন যাচাই-বাছাই পর্যায় রয়েছে বলে সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তরের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা দেশের একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
এর আগে ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল এ সংক্রান্ত অভিযোগে চট্টগ্রাম দুদকের জেলা কার্যালয় থেকে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে বেশ কিছু অভিযোগের সত্যতা মিলেছিল।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনে মেরিটাইম প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থী নাবিক (রেটিং) ভর্তির সমন্বিত পরীক্ষা নীতিমালা-২০২২ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিডিসি প্রদানের নীতিমালা-২০১৮ ভঙ্গ করে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ২০০ জন অযোগ্যকে নির্বাচিত করে।
এদের জন প্রতি ৭ লাখ টাকা করে মোট প্রায় ১৪ কোটি টাকা অবৈধভাবে নেওয়া হয়েছে। প্রি-সী স্পেশাল রের্টং কোর্স নামে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের অনুমোদিত কোনো কোর্স না থাকা সত্ত্বেও অনাবাসিক প্রি-সী স্পেশাল রেটিং কোর্স ২০২৩ চালু করে এবং চট্টগ্রাম ন্যাশনাল মেরিটাইম ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ দেয়।
এই প্রশিক্ষণ অনুমতির জন্য আবেদনকারীর পূর্ণ নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা নম্বর ও মোবাইল নম্বর কিছুই নেই। আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে আগ্রহীদের তালিকাও সংযুক্ত নেই। তাছাড়া বেআইনিভাবে জারি করা হয় পানামা সার্টিফিকেট, বেলিজ সার্টিফিকেট, হালদিয়া সার্টিফিকেট, মালয়েশিয়ান সার্টিফিকেট, ফিলিপাইন সার্টিফিকেট ইত্যাদি।
এসকে/এসএন