© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে কুয়েতকে ২৪০ টন খাদ্য সামগ্রী দি‌চ্ছে বাংলা‌দেশ

শেয়ার করুন:
বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে কুয়েতকে ২৪০ টন খাদ্য সামগ্রী দি‌চ্ছে বাংলা‌দেশ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৪৭ এএম | ২৫ মে, ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ার চলমান আঞ্চ‌লিক প‌রি‌স্থি‌তির প‌রি‌প্রেক্ষি‌তে বাংলাদেশ সংহতি ও বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে কুয়েত সরকারের কাছে শুভেচ্ছা খাদ্য সরবরাহের একটি চালান প্রতীকীভাবে হস্তান্তর করে‌ছে সরকার। বাংলাদেশ থেকে মোট ২৪০ টন প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী আগামীকাল সোমবার (২৫ মে) থেকে একাধিক ফ্লাইটের মাধ্যমে কুয়েতে পৌঁছানো হ‌বে।

রোববার (২৪ মে) কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই হস্তান্তর উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ জারাহ জাবের আল-আহমেদ আল-সাবাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির প্রতীকীভাবে এই চালান হস্তান্তর করেন।

এই সহায়তা হরমুজ প্রণালি বন্ধ এবং কুয়েতের সরবরাহ চেইনের ওপর চাপসহ বিদ্যমান আঞ্চলিক পরিস্থিতির মধ্যে কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালী করতে এবং জরুরি প্রয়োজনকে সমর্থন করতে সহায়তা করবে বলে আশা করছে ঢাকা।

অনুষ্ঠানে হুমায়ূন কবির আনুষ্ঠানিকভাবে কুয়েতের আমির শেখ মেশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহকে সম্বোধন করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি চিঠি পৌঁছে দেন। চিঠিতে কুয়েতের জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করা হয় এবং দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।  আলোচনায় উভয়পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক পরিস্থিতি, মানবিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করেন।

উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা, বেসামরিক বিমান চলাচল এবং অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

কুয়েতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা খাদ্য চালান প্রেরণ দুই দেশের মধ্যে গভীর ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটায় এবং আঞ্চলিক অনিশ্চয়তা ও চ্যালেঞ্জের সময়ে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলিকে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশের অব্যাহত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটায় বলে মনে করে।

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা, বন্ধুত্ব এবং বহুমুখী সহযোগিতার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষই তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।   

আরআই/টিকে

মন্তব্য করুন