© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঈদ কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি বেড়েছে, যাত্রা নিরাপদ করতেও সরকার ব্যর্থ: আসিফ মাহমুদ

শেয়ার করুন:
ঈদ কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি বেড়েছে, যাত্রা নিরাপদ করতেও সরকার ব্যর্থ: আসিফ মাহমুদ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৪৭ পিএম | ২৬ মে, ২০২৬
ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, প্রায় সব পশুর হাট বিএনপি নেতারা ইজারা নিয়েছেন এবং হাটের জায়গায় হাট বসছে না। এছাড়াও ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সরকার ব্যর্থ বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাজধানীতে ঝিনাইদহে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর হামলা ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সজীব ভূঁইয়া বলেন, বিসিবি নির্বাচন দেখে মনে হয়েছে পরিবারতন্ত্রে বসবাস করছি, সরকার দলীয়করণ করবে না বলেছিলো কিন্তু তারা সেটা করেছে।

বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ্যে করে সজীব ভূঁইয়া আরও বলেন, মার্কিন চুক্তির বিষয়ে এনসিপির সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার কোনো কথা বলেনি। যে অংশ বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী, সেগুলো রিভিউ করে বাতিল করার উদ্যোগ নেন। দোষারোপ করবেন না।

বিএনপির বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান আগে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ছিলেন। ডুয়েল গেম খেলতে বিএনপির ইন্ধনেই এই চুক্তি হয়েছে কি না এমন মন্তব্যও করেন তিনি।

একই সংবাদ সম্মেলনে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ধর্মের কারণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভোটারদের বাদ দেয়া মানবতাবিরোধী কাজ। ধর্ম ও বর্ণের কারণে ট্যাগিং মানবাধিকার লঙ্ঘন।

সীমান্তে কাটাতারের বেড়া নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রয়োজনে দুই দেশের মধ্যে বৈঠক করে জমি বুঝে নিয়ে যার যার জমিতে করুক।
দেশের সীমান্ত নিয়ে সরকারের যথেষ্ট উদ্যোগ নেই দাবি করে তিনি বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সীমান্তের মানুষরা ভারতীয় আগ্রাসনে অনিরাপদ। এনসিপি ক্ষমতায় গেলে সীমান্ত সুরক্ষা করবে। ভারত মাদক সন্ত্রাস চালিয়ে বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে শেষ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। যে কোনো মূল্যে দেশে মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা নিতে হবে এবং সামাজিক ক্যাম্পেইন চালাতে হবে।

দেশে সঠিকভাবে কর আদায় করা গেলে অমূল পরিবর্তন সম্ভব উল্লেখ করে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংকে দলীয় লোকবসানো হয়েছে।

ঝিনাইদহে ডিম মেরেছে, হামলা করা হয়েছে। ছাত্রদল ও যুবদল ছাড়াও পুলিশ দলও সহায়তা করেছে এতে। আমারা নাকি অস্ত্র বহন করেছি! কোনো ধরনের অস্ত্র বহন করার প্রমাণ করতে পারলে স্বেচ্ছায় কারাবরণ করবো। মামলা নিতে গরিমসি করেছে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে মামলা নিয়েছে থানা। আবার মামলা নেয়ায় থানার ওপর হামলা করে কয়েক হাজার মানুষ।

পাটোয়ারী বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া আমরা দেখতে পাচ্ছি না। সংস্কারের কথা বললে সরকার নার্ভাস হয়ে পড়ে। নিষিদ্ধ হওয়ার পরও আওয়ামী লীগ মিছিল ও গুপ্ত হামলা করছে। সরকার আবার তাদের জামিন দিচ্ছে। সরকারকে আহ্বান জানাবো আর কিছু পারেন আর না পারেন, আমার ক্যামেরাটা ফেরত দিন। ওই ক্যামেরায় পরিবারের ছবি আছে।

তিনি বলেন, টেন পার্সেন্ট কথাও বলা যাবে না, তাহলে আবার হকিস্টিক নিয়ে আসবে। আমাদের মেরে ফেলেন তা না হলে সংস্কার, বিচার, চাঁদাবাজির প্রশ্নে আমরা আপস করবো না। স্থানীয় নির্বাচনে পুলিশকে আওয়ামী লীগের পুলিশের মতো ভূমিকায় দেখতে চাই না। আমাদের ওপর আর হামলা মামলা হলে সরকারের ৫ বছরের নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারব না। আমাদেরকে মারলে কী আপনি নিরাপদ থাকবেন?

কেএন/টিকে

মন্তব্য করুন