বাবা শত্রুঘ্ন সিনহার রাজনৈতিক জীবন নিয়ে মুখ খুললেন সোনাক্ষী
ছবি: সংগৃহীত
১০:১৮ পিএম | ২৮ মে, ২০২৬
সাল ২০০০, একটি কলেজ ফ্যাশন উইকে সলমনের নজরে আসেন শত্রুঘ্নকন্যা সোনাক্ষী সিনহা। মেয়ের অভিনয় কেরিয়ার নিয়ে কখনও হস্তক্ষেপ করেননি রাজনীতিবিদ ও অভিনেতা শত্রুঘ্ন। নিজের মতো করে ইন্ডাস্ট্রিতে পথ চলার স্বাধীনতা দিয়েছেন। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে মুখ খুললেন ‘দাবাং গার্ল’। সোনাক্ষীর কথায়, “বাবা দু-একটি ছবির প্রযোজনা করেছেন। কিন্তু,আমাকে কখনও বলেননি যে তিনি আমার জন্য কোনও ছবি প্রযোজনা করতে চান। বরং এই মুহূর্তে সিনেমায় ফেরার কোনও পরিকল্পনাই নেই।”
বর্তমানে লোকসভার সাংসদ হিসেবে আসানসোল কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই প্রসঙ্গে একটি কথা বলে রাখা ভালো, রাজ্যে পালাবদলের পর ক্ষমতায় এখন নতুন সরকার। এমতাবস্থায় অনেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন, সেই সঙ্গে পদত্যাগের হিড়িক। কিন্তু, আসানসোলের তৃণমূল সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহার তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার নিয়ে কী ভাবছেন?
সোনাক্ষী তাঁর বাবার অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, “এখন তিনি রাজনীতি নিয়ে এতটাই ব্যস্ত যে খুব সুন্দরভাবেই সেই জগতে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন। তিনি যেখানে আছেন এবং যা করছেন, তাতেই খুশি।” বাবা-মেয়ের সম্পর্কের সমীকরণ কেমন তা নিয়েও অকপট অভিনেত্রী। তিনি জানান, “বাবারা সাধারণত সন্তানদের প্রতি একটু কঠোর হন। কিন্তু আমার বাবা সবসময়ই আমার প্রতি খুব নরম ছিলেন। আমাকে সবসময় বলতেন, নিজের যোগ্যতায় নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। বাবা স্রোতের বিপরীতে হাঁটলেও আমার মতে, এরকম মানসিকতাই একটি মেয়েকে মনের দিক থেকে শক্তিশালী হতে সাহায্য করে।”

২০১০ সালে ‘দাবাং’-এ অভিনয়ের পর লাইমলাইট ছিনিয়ে নিয়েছিলেন সোনাক্ষী। তবুও বলিউডের একজন সফল অভিনেত্রীর চেয়ে বেশি ‘শত্রুঘ্ন সিনহার মেয়ে’বলেই পরিচয় করানো হতো। তবে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। এখন শত্রুঘ্ন সিনহাকে ‘সোনাক্ষী সিনহার বাবা’বলেও সম্বোধন করা হয়। এই মর্মে সোনাক্ষীর সংযোজন, “বাবা যখন বিমানে ভ্রমণ করেন তখন বিমানসেবিকারা এসে বলেন, আপনি কি সোনাক্ষী সিনহার বাবা? এতে বাবা খুব গর্ববোধ করেন। বাড়ি ফিরে আমাকে বলেন, বেটা, ওঁরা আমাকে বলল আমি তোমার বাবা?” আরও যোগ করেন, “আমি ওঁর মেয়ে আর উনি সবসময়ই আমার বাবা থাকবেন। এটাই সত্যি এটাই বাস্তব।
মানুষ যদি আমাকে তাঁর মেয়ে বলে পরিচয় দেন তাতে আমি সবসময় গর্বিত।”
টিজে/টিএ