© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রামিসার ঘটনায় আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় কাঁদলেন পুলিশের এসআই

শেয়ার করুন:
রামিসার ঘটনায় আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় কাঁদলেন পুলিশের এসআই

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:০২ পিএম | ০২ জুন, ২০২৬
বহুল আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে কেঁদেছেন পুলিশের এসআই ইকবাল হোসেন। কথা বলার এক পর্যায়ে তিনি কান্না করতে থাকেন। তিনি জব্দতালিকা ও সুরতহাল প্রস্তুত করেছেন।

এসআই ইকবাল হোসেন বলেন, রামিসার হাতও কাটার চেষ্টা করা হয়। সামান্য চামড়া লেগে ছিলে। তাই দ্বিখণ্ডিত হয়নি।

আদালতে রামিসার ব্যবহৃত কাপড় ও জুতা উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া হত্যায় ব্যবহৃত চাকু, যে বালতিতে রামিসার মাথা রাখা হয়েছে সেগুলোও উপস্থাপন করা হয়েছে।

বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আদালতে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

আদালতে রামিসার মা পারভীন আক্তার কেঁদে কেঁদে মেয়ের হত্যার বিচার চান। অন্যদিকে রামিসার মা আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন বলে দাবি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী।

আদালতে রামিসার মা পারভীন আক্তার বলেন, রামিসা হত্যা মামলার আসামি সোহেলকে গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে স্ত্রী স্বপ্না। ঘরে ঢুকে মেয়ের মাথা একদিকে ও শরীর আরেকদিকে দেখি, এটা দেখে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই।

রামিসার বাবা হান্নান মোল্লা বলেন, সোহেলই রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করেছে।

প্রথমে সাক্ষ্য দেন শিশু রামিসার বাবা হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার ও বোন রাইসা আক্তার।

এর আগে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পরে হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আদালতে হাজির করা হয়। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষীরা আদালতে সাক্ষ্য দেন।

আজ ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এই সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আদালতে নিহত শিশু রামিসার বাবা ন্যায় বিচার চেয়েছেন। এর আগে গতকাল সোমবার (১ জুন) মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

গত ২৪ মে মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপরে সিএমএম আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন।

অভিযোগপত্রে আসামি সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এবং তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে হত্যায় সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন