© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মুগ্ধ বিশ্ব ফুটবল, লাল-সাদার মিছিলে বিশ্বকাপের পথে তুরস্ক

শেয়ার করুন:
মুগ্ধ বিশ্ব ফুটবল, লাল-সাদার মিছিলে বিশ্বকাপের পথে তুরস্ক

ছবি: সংগৃহীত

মোঃ তারিক কায়সার বাপ্পী
০৯:২১ পিএম | ০৩ জুন, ২০২৬
দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে তুরস্ক। আর সেই প্রত্যাবর্তনের যাত্রা শুরু হলো এমন এক আবেগঘন পরিবেশে, যা ইতোমধ্যেই বিশ্ব ফুটবলের নজর কেড়েছে।
২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছে তুরস্ক জাতীয় ফুটবল দল। রিভায় অবস্থিত জাতীয় দলের ক্যাম্প থেকে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর পর্যন্ত দলের যাত্রাপথ পরিণত হয়েছিল এক বিশাল জনসমুদ্রে। শত শত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের বহর জাতীয় দলের বাসকে ঘিরে এগিয়ে যায় বিমানবন্দরের দিকে। রাস্তার দুই পাশে হাজারো সমর্থক জাতীয় পতাকা হাতে প্রিয় দলকে শুভকামনা জানাতে ভিড় করেন।

লাল-সাদা রঙে সেজে ওঠা ইস্তাম্বুলের সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বজুড়েই আলোচনার জন্ম দেয়। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গণমাধ্যমগুলোর দৃষ্টি কাড়ে তুরস্কের এই বিদায় আয়োজন। অনেকেই এটিকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম আবেগময় জাতীয় দল বিদায় অনুষ্ঠানের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, জাতীয় দলের বাসের সামনে ও পেছনে দীর্ঘ গাড়ির সারি। সমর্থকদের স্লোগান আর উচ্ছ্বাসে মুখর ছিল পুরো পরিবেশ। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই এই দৃশ্য তুরস্কের ফুটবলপ্রেম এবং জাতীয় দলের প্রতি মানুষের আবেগের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

বিশ্বকাপে এবার তুরস্ককে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইতালিয়ান কোচ ভিনচেঞ্জো মন্তেলা। তার অধীনে গড়ে ওঠা দলটিতে রয়েছে তরুণ ও অভিজ্ঞ ফুটবলারের দারুণ সমন্বয়। আরদা গুলের, কেনান ইলদিজ এবং অধিনায়ক হাকান চালহানওগলুর মতো ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত এই দলকে ভবিষ্যতের অন্যতম সম্ভাবনাময় দল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইউরো ২০২৪-এ নিজেদের সামর্থ্যের আভাস দেওয়ার পর এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে আরও বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখছে তুরস্ক। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপে ফেরা এই দলটি শুধু অংশগ্রহণ করতেই নয়, নিজেদের নতুন প্রজন্মের ফুটবল শক্তি হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।

বিশ্বকাপের আগে সমর্থকদের এমন অকুণ্ঠ ভালোবাসা নিঃসন্দেহে তুর্কি ফুটবলারদের জন্য বাড়তি প্রেরণা হয়ে থাকবে। আর ইস্তাম্বুলের রাস্তায় দেখা সেই ঐতিহাসিক বিদায় হয়তো ২০২৬ বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবেই থেকে যাবে।

টিকে/

মন্তব্য করুন