© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মহা ধুমধামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের

শেয়ার করুন:
মহা ধুমধামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৫৫ পিএম | ০৮ জুন, ২০২৬
এ বছর রাষ্ট্রীয়ভাবে 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬' যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এ উপলক্ষে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসন পর্যন্ত ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।

দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব শবনম মুস্তারী রিক্তা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়, গত ৩ মে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে এবং সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে স্মারক পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড, এনএসআই, ডিজিএফআই এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকল নিরাপত্তা সংস্থাকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, তথ্য অধিদপ্তর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরকে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও কার্যবিবরণীতে নির্দেশনা রয়েছে।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে সমন্বিত কর্মসূচি পালনের জন্য দেশের সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছেও কার্যবিবরণী পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া, তথ্যপ্রযুক্তিসহ সরকারের প্রায় সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এই প্রস্তুতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে; যার ফলে জাতীয় কর্মসূচির বাইরেও খাতভিত্তিক বিশেষ আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

পাশাপাশি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ স্কাউটস, বিএনসিসি এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদকেও এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়েছে। সরকারি সূত্রগুলো বলছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসকে জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যেই দেশব্যাপী এই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এসএন 

মন্তব্য করুন