© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে : গভর্নর

শেয়ার করুন:
ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে : গভর্নর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৫৩ পিএম | ৩০ জুন, ২০২৬
তারল্য সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ইসলামী ব্যাংককে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের ঘোষিত মুদ্রানীতি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এ তথ্য জানান।

গভর্নর বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংকগুলোকে ১৭ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়।’

এদিকে আজ বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি কমিয়ে ও নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি (মনিটারি পলিসি স্টেটমেন্ট বা এমপিএস) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির লক্ষ্য, আগামী ছয় মাসে ৬.৮ শতাংশ হারে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ বাড়বে।

অন্যদিকে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য মতে, গত মে মাসে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ শতাংশ। কিন্তু জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত চলমান ষাণ্মাসিকে সাড়ে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই লক্ষ্য কোনো মাসেই অর্জিত হয়নি।

এবার আগামী ছয় মাসের জন্য নির্ধারিত ৬.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। কারণ নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ঋণের উচ্চ সুদহার বজায় রেখেই প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ ও বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে, তার একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন