পরাজয়ের পরও ফ্রান্সের প্রশংসা করলেন মরক্কোর কোচ
ছবি: সংগৃহীত
১১:৩৮ এএম | ১০ জুলাই, ২০২৬
কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে মরক্কো। তবে পরাজয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে হতাশার চেয়ে আত্মবিশ্বাসী মনোভাবই বেশি দেখা গেছে প্রধান কোচ ওয়াহাবির মধ্যে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দেওয়ার কথা তুলে ধরেন তিনি।
কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের পর এবারও ফ্রান্সের বাধা পেরোতে পারেনি আফ্রিকার দলটি। ম্যাচ শেষে প্রতিক্রিয়ায় ওয়াহাবি বলেন, ‘ফ্রান্স বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি দল। তাদের মতো দলের সঙ্গে এই ফলাফল মেনে নেওয়ার মতোই। আমরা জয়ের চেষ্টা করেছি, পারিনি।’
বিশ্বকাপে আগের পাঁচ ম্যাচে দারুণ ছন্দে থাকা মরক্কো এদিন নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারেনি। আক্রমণে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে না পারায় ম্যাচের বেশিরভাগ সময়ই ফরাসি আক্রমণ সামাল দিতে হয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিপক্ষের শক্তির কথাই তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আসলে আমরা কিছু সময় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করেছি কিন্তু তাদের এত কোয়ালিটি ও ব্যাকআপ এজন্য সেভাবে সম্ভব হয়নি।’
ফ্রান্সকে হারাতে পারলে বিশ্ব ফুটবলে নতুন শক্তি হিসেবে নিজেদের আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ ছিল মরক্কোর সামনে। যদিও সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি, তবু ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী কোচ।
তার ভাষায়, ‘ফ্রান্স টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট। এবারও শিরোপার দাবিদার, এমন দলের সঙ্গে পরাজয় নতুন করে পথ দেখাবে। মরক্কোর ফুটবল আগের চেয়ে এগিয়েছে, নতুন প্রজন্ম দেখছে দুই বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স। সামনে আমাদের দেশেই বিশ্বকাপ হবে। ফুটবলে অনেক কাজের জায়গা আছে।’
বিশ্বকাপে মরক্কোর যাত্রা শুরু হয়েছিল ব্রাজিলের মতো পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলকে রুখে দিয়ে। শেষ পর্যন্ত পথচলা থেমেছে দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের বিপক্ষে। পুরো অভিযানের মূল্যায়ন করতে গিয়ে ওয়াহাবি বলেন, ‘আমাদের শুরুটা ভালোই হয়েছিল। ধারাবাহিক উন্নতি করে এই পর্যন্ত এসেছিলাম। ফ্রান্সের মতো দলের সঙ্গে আমরা জয়ের জন্যই নেমেছিলাম।’
বিশ্বকাপের এই অভিজ্ঞতা ব্যক্তিগতভাবেও নিজের কোচিং ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে মনে করেন মরক্কোর কোচ। তিনি বলেন, ‘কার্লো আনচেলত্তি, দিদিয়ের দেশমের অন্যপ্রান্তে দাড়িয়ে কোচিং করেছি। এটা আমার জন্য অবশ্যই শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা।’
কেএন/এসএন