© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ’ রুখতে নতুন প্রজন্মকে জেগে উঠতে হবে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

শেয়ার করুন:
‘সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ’ রুখতে নতুন প্রজন্মকে জেগে উঠতে হবে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৫১ পিএম | ০১ আগস্ট, ২০২৬
জুলাই আন্দোলনের রাজনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি এর সাংস্কৃতিক তাৎপর্য আরও বেশি বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। 

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিকভাবে নতুন করে জেগে উঠতে হবে এবং তাদের হাত ধরেই ‘সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ’ চিরতরে রুখে দিতে হবে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর চার দিনব্যাপী ‘জুলাই জাগরণ সিজন-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

‘শিশুদের চোখে জুলাই’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদ আনাসের মা। 

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শহীদ আনাসসহ সব শহীদকে স্মরণ করে বলেন, সন্তানরা যে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে জীবন উৎসর্গ করেছে, সেই চেতনা ধারণ করেই তরুণ প্রজন্মকে আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, সাইমুম সবসময় সুস্থ, নৈতিক ও সত্যের পক্ষে এবং অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে কাজ করে এসেছে। জুলাইয়ের গণজাগরণ নতুন করে আলোর পথ দেখিয়েছে। শিশু-কিশোর ও তরুণদের হাত ধরেই আগামীর সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক বিপ্লব বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সংসদ থেকে রাজপথ এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গন—সব জায়গা থেকেই ফ্যাসিবাদের সব অবশেষ দূর করতে হবে। গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে এমন সুস্থ সংস্কৃতিচর্চা ছড়িয়ে দিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর ভাইস চেয়ারম্যান সিবাগাতুল্লাহ সিবগা বলেন, জুলাই গণআন্দোলনে ১৩৩ জন শিশু শহীদ হয়েছে। তাদের ত্যাগ ও বীরত্বের স্মৃতি নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

বিশিষ্ট গীতিকার, সুরকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব তাফাজ্জল হোসাইন খান বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদমুক্ত সুস্থ সাংস্কৃতিক ধারা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অপসংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে সত্য ও দেশীয় মূল্যবোধভিত্তিক সংস্কৃতির চর্চার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর সাবেক চেয়ারম্যান মোবারক ইসলাম, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর সাবেক পরিচালক শরীফ বায়জিদ মাহমুদ ও আবদুল্লাহ আল নোমান, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের এবং সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনিম জুমা।

আলোচনা পর্ব শেষে সাইমুমের শিশু শিল্পীদের পরিবেশনায় দলীয় ও একক সংগীত, কবিতা আবৃত্তি এবং ‘জুলাই জাগরণ’-এর বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

কেএন/টিএ

মন্তব্য করুন