© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

দুই এনআইডি : দুই দিনের রিমান্ডে ডা. সাবরিনা

শেয়ার করুন:
দুই এনআইডি : দুই দিনের রিমান্ডে ডা. সাবরিনা
own-reporter
০২:২৩ পিএম | ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

তথ্য গোপন করে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র নেয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মামলায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের বরখাস্ত চিকিৎসক সাবরিনা শারমিন ওরফে সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইদিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম তোফাজ্জেল হোসেন শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাবরিনাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম। আদালত ডা. সাবরিনার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তার দেখানোপূর্বক পাঁচ দিনের রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

আবেদনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তদন্তে মামলার ঘটনার সাথে ডা. সাবরিনার জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটন করা আবশ্যক। যাতে মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন হবে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাবরিনাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জানাচ্ছি। সাবরিনা কে বা কার সহায়তায় মিথ্যা তথ্য প্রদান করে দ্বিতীয়বার এনআইডি নিয়েছেন এবং তার হেফাজতে অন্য কোনো ভুয়া এনআইডি কার্ড আছে কিনা, থাকলে তা উদ্ধারসহ প্রকৃত ঠিকানা সংগ্রহ করে যাচাই, মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন ও ঘটনার চাহিদা মোতাবেক তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে জিজ্ঞাসাবাদসহ সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনার জন্য পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডের প্রয়োজন।

৩০ আগস্ট বাড্ডা থানায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া। ২০১০ সালের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনের ১৪ ও ১৫ ধারায় এ মামলাটি করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১২ জুলাই দুপুরে সাবরিনাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে তিনি কারাগারে।

আরও পড়ুন

দুই এনআইডি: সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ ইসির

সাবরিনার ‘দুই এনআইডি’ বিষয়ে জানাতে ইসিকে দুদকের চিঠি

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন