ফিলিস্তিনকে সমর্থন করা সমগ্র মানবজাতির দায়িত্ব: এরদোয়ান
ছবি: সংগৃহীত
০৭:৫১ পিএম | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
ফিলিস্তিনকে সমর্থন করা সমগ্র মানবজাতির বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
বুধবার (১২ আগস্ট) আঙ্কারার প্রেসিডেন্ট ভবনে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এরদোয়ান জানান, তুরস্ক সব প্ল্যাটফর্মে ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় জোরালো ভূমিকা পালন করে যাবে।
প্রেসিডেন্ট বলেন, নেতানিয়াহুর সরকার দখলীকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে পুরো বিশ্বের সামনে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে, যা কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
এরদোয়ান বলেন, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে পরামর্শ করে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ভিত্তিতে ফিলিস্তিনের দাবিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তুরস্ক কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, অঞ্চলজুড়ে দখল, জোরপূর্বক উচ্ছেদ ও ভূমি দখলের নীতিগুলো ক্রমাগত তীব্রতর হচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে এরদোয়ান বলেন, দখলদারদের সহিংসতা, ধ্বংসযজ্ঞ ও উচ্ছেদের কারণে শুধু ২০২৬ সালেই প্রায় ৩ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং প্রায় ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তিনি এই পরিস্থিতিকে একটি ‘পরিকল্পিত দখলদারিত্ব’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, নেতানিয়াহু সরকার বিশৃঙ্খলা ও নতুন সংঘাতকে কাজে লাগিয়ে ফিলিস্তিনকে বৈশ্বিক আলোচ্যসূচি থেকে সরিয়ে দিতে চায়, কিন্তু তারা সফল হবে না। আমাদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদ এবং অন্যান্য পবিত্র স্থানগুলোর স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত উসকানির আমরা বিশেষভাবে তীব্র বিরোধিতা করছি।
এরদোয়ান ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও অখণ্ড ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে আঙ্কারার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি গাজার পুনর্গঠন কাজ শুরু করা এবং আল আকসা মসজিদসহ পবিত্র স্থানগুলোর বর্তমান স্থিতি বজায় রাখার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে তিনি ফিলিস্তিনে আইনসভা ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
এমআই/টিএ