© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আবরার হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ৫ অক্টোবর

শেয়ার করুন:
আবরার হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ৫ অক্টোবর
own-reporter
০২:৪৫ পিএম | ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার বাদী আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ অসুস্থ হওয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণের শুনানি পিছিয়েছে।

রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর টানা শুনানির দিন ঠিক করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, রোববার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুনানির দিন ছিল। সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আদালতে এসেছিলেন বাদী আবরারের বাবা। তিনি অসুস্থ হওয়ায় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের শুনানির নতুন দিন ঠিক করেছেন।

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বলেন, শারীরিকভাবে আমি অসুস্থ। জন্ডিসে ভুগছি। আদালত আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন, আমি কেমন আছি। আদালতকে আমি জানিয়েছি আমার অসুস্থতার কথা। আমি আমার ছেলে হত্যার ন্যায়বিচার চাই।

এর আগে মামলার ২৫ আসামির মধ্যে ২২ জনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। গত ১৫ সেপ্টেম্বর এই মামলার ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। সেদিন ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত মামলার টানা সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

গত বছর ১৩ নভেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান আবরার হত্যা মামলায় ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং এর বাইরে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আরও ছয় জনের জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জন এবং এজাহারের বাইরে থাকা ৬ জনের মধ্যে ৫ জনসহ মোট ২২ আসামি কারাগারে আছে। এছাড়া ৩ আসামি পলাতক রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ফেসবুকে ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি নিয়ে সমালোচনা করায় গত ৬ অক্টোবর রাতে আবরার ফাহাদকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ওই সময় তারা আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে। ওই ঘটনায় গত বছরের ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

আবরার হত্যা : অভিযোগ গঠনের আদেশ ১৫ সেপ্টেম্বর

আবরার হত্যা মামলায় ২৫ আসামির বিচার শুরু

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন