জাতিসংঘ যেন এক মস্ত সার্কাস!
ছবি: সংগৃহীত
০৩:০০ পিএম | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এবারের জাতিসংঘের মজলিসে ইরান ও রাইলের কাণ্ড রীতিমতো এক নাটকে রূপ নিয়েছে! রাইলের দূত ড্যানি অধিবেশন চলাকালে হকারের মতো স্টারলিংকের প্যাকেট হাতে নিয়ে ইরানের দূতের সামনে মার্কেটিং করছিলেন—ঠিক “লন ভাই লন, কামে লাগবো, বাইত লইয়া যান” স্টাইলে! ইরানের দূত অবশ্য ফিরেও তাকালেন না।
এদিকে আরাগচি দলবল নিয়ে রাইলি টিমের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ড্যানির অঙ্গভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছিল তিনি ইভটিজিং করছেন—পুরোই সার্কাস! অবশ্য এ নিয়ে কারও মুখেই কোনো রা নেই। ড্যানি আবার নিজেকে ‘গডফাদার’-এর ভিটো করলিয়নি ভাবছেন!
ওদিকে নিয়াহু যেই না বক্তব্য শুরু করবেন, অমনি টেবিল ফাঁকা করে সবাই পগাড় পার। নিয়াহু অবশ্য বাকিদেরও শুনিয়ে দিলেন—চিত্ত দুর্বল হলে আপনারাও কেটে পড়ুন! এদিকে ভাষণ চলাকালে রাইলের আরেক দূত টেবিলে টেবিলে ঘুরে ঘুরে নোট নিচ্ছেন কারা কারা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে পালাল। দেখে মনে হচ্ছিল, হেডমাস্টার সাহেব এবার বাসায় নালিশি চিঠি পাঠাবেন। থুক্কু, সেই সব দেশের ওপর আংকেল স্যামকে দিয়ে স্যাংকশন বসাবেন!
শতবর্ষ আগে এরা পৃথিবীর পুরো ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমকে এমন কায়দায় আইন-কানুন দিয়ে কবজা করেছে যে, চাইলেই আপনি হুট করে বের হতে পারবেন না; যদি না আম্রিকা সবদিক দিয়ে পিছিয়ে পড়ে অথবা ওদের হাত থেকে আম্রিকার রাজনীতির রাশ ফস্কে যায়। রথচাইল্ডের ব্যাংকাররা এসে সাজিয়ে দিয়েছে আম্রিকার ফাইন্যান্স, সেই ফাইন্যান্স গিলে খেয়েছে রাজনীতিকে, আর রাজনীতি দিয়ে চলছে ওদের সামরিক শক্তি।
ভাবা যায়, একটা পুঁচকে দেশ পুরো দুনিয়াকে এমন ঘোল খাওয়াচ্ছে—অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখা ছাড়া উপায় কী!
লেখক, তারিক হাসান
প্রধানমন্ত্রীর জন প্রশাসন উপদেষ্টার একান্ত সচিব