© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

প্রেমের টানে জামালপুরে এসে বিয়ের পিঁড়িতে ফিনল্যান্ডের যুবক, গ্রহণ করলেন ইসলাম ধর্ম

শেয়ার করুন:
প্রেমের টানে জামালপুরে এসে বিয়ের পিঁড়িতে ফিনল্যান্ডের যুবক, গ্রহণ করলেন ইসলাম ধর্ম

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৪৮ পিএম | ১০ অক্টোবর, ২০২৬
প্রেমের টানে ফিনল্যান্ড থেকে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে এসে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন মিকা পেত্তেরি সিমোলা (৩৮) নামে এক যুবক। খ্রিষ্টধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণের পর স্থানীয় চা বিক্রেতার মেয়ে শান্তিনা জাহান সিমিকে (২৮) বিয়ে করেন তিনি।

ইসলাম গ্রহণের পর তার নাম রাখা হয়েছে মিকাইল। গত ২ অক্টোবর উপজেলার আওনা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

জানা গেছে, ফিনল্যান্ডপ্রবাসী এক নিকটাত্মীয়ের মাধ্যমে মিকার সঙ্গে সিমির পরিচয় হয়। পরে মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সিমির প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপর পাঁচ বছর বয়সী ছেলে রায়ান বাবুকে নিয়ে তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন।

অন্যদিকে মিকার আগে কোনো বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল না। সিমিকে বিয়ে করার ইচ্ছা থেকে তিনি বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের জন্য মিকা ফিনল্যান্ডের ডিজিটাল অ্যান্ড পপুলেশন ডাটা সার্ভিসেস এজেন্সি থেকে গত ৯ সেপ্টেম্বর আইনি অনুমতিপত্র সংগ্রহ করেন। পরে গত ২ অক্টোবর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। সেখান থেকে সিমি তাকে জামালপুরে নিয়ে যান। জামালপুরে পৌঁছানোর পর মিকা খ্রিষ্টধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর তার নাম রাখা হয় মিকাইল। একই দিন ১০ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে নিবন্ধিত কাজির মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। মিকাইল সিমির পাঁচ বছর বয়সী ছেলেকেও নিজের সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

সিমি জানান, তার স্বামী ফিনল্যান্ডের নাগরিক। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তিনি বাংলাদেশে এসে তাকে বিয়ে করেছেন। বর্তমানে তারা একসঙ্গে সংসার করছেন।

নবদম্পতি জানান, আগামী ১৮ অক্টোবর মিকাইলের ফিনল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। পরে প্রয়োজনীয় ভিসা ও পাসপোর্টসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে স্ত্রী সিমি ও তার ছেলেকে ফিনল্যান্ডে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

সিমির বাবা রফিকুল ইসলাম ও পরিবারের সদস্যরা এ বিয়েতে আনন্দিত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এমআই/টিএ


মন্তব্য করুন