© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় সোহেল তাজের ক্ষোভএটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার জাদুর ট্যাবলেট, এই ট্যাবলেট খেয়ে এদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে

শেয়ার করুন:
এটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার জাদুর ট্যাবলেট, এই ট্যাবলেট খেয়ে এদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:২৯ পিএম | ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। হেনস্তাকারীদের মানসিকতা ও আচরণকে ‘গ্যাসলাইটিং’ ও ‘সাইকোলজিক্যাল প্রজেকশন’ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে সোহেল তাজ লেখেন, “নিউজে প্রফেসর ইউনূসকে নিউ ইয়র্কের জেএফকে এয়ারপোর্টে হেনস্তা করার ভিডিও দেখে হতবাক হয়ে গেলাম। কতটুক নির্লজ্জ বেহায়া হলে নিজেরাই যেই গণহত্যা, গুম, খুন, দুর্নীতি করেছে, গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল; তারাই এখন সেই দায় আরেকজনের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এটাই হচ্ছে সাবেক স্বৈরাচার পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাদুর ট্যাবলেট, এই ট্যাবলেট খেয়ে এদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।”

সোহেল তাজ আরও জানান, এ ধরনের অপপ্রচার ও আচরণকে সাইকোলজিস্ট বা সাইকিয়াট্রিস্টরা দুটি ক্যাটাগরিতে বিশ্লেষণ করেন—

গ্যাসলাইটিং (Gaslighting): এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক কারসাজি বা ইমোশনাল অ্যাবিউজ, যেখানে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঘটে যাওয়া সত্যি ঘটনা অস্বীকার করা হয়, যাতে ভুক্তভোগী নিজের স্মৃতি ও বিচারবুদ্ধি নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করে।

সাইকোলজিক্যাল প্রজেকশন (Psychological Projection): একটি মানসিক আত্মরক্ষা কৌশল, যেখানে কোনো ব্যক্তি নিজের অপরাধ, কষ্টদায়ক চিন্তা বা অনিরাপত্তা অন্যের ওপর চাপিয়ে চেষ্টা করে।

প্রতিবেদনে জানা যায়, স্থানীয় সময় সোমবার (১২ অক্টোবর) নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে অবস্থানকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কয়েকজন সমর্থক হঠাৎ ড. ইউনূসের দিকে এগিয়ে আসে।

তারা উচ্চস্বরে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে এবং “Why you come here...” (আপনি কেন এখানে এসেছেন...)-সহ নানা কটূক্তিমূলক মন্তব্য ও হট্টগোল করতে থাকে। বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ড. ইউনূসকে লক্ষ্য করে নানা প্রশ্ন ও বাকবিতণ্ডা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে তাঁর সফরসঙ্গীরা তাঁকে দ্রুত বিমানবন্দরের ভেতরে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন, বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন