© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

অনিয়মের অভিযোগে গ্রিসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে পদত্যাগের নির্দেশ ট্রাম্পের

শেয়ার করুন:
অনিয়মের অভিযোগে গ্রিসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে পদত্যাগের নির্দেশ ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:২৪ এএম | ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
অর্থের বিনিময়ে প্রশাসনিক সুবিধা পাইয়ে দেওয়াসহ একাধিক গুরুতর অনিয়মের অভিযোগের মুখে পদত্যাগ করেছেন গ্রিসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বার্লি গিলফয়েল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদত্যাগের আহ্বান জানানোর পর তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কেটি জাকারিয়া সাংবাদিকদের জানান, তারা গিলফয়েলকে পদত্যাগ করতে বলেছেন। তিনি গিলফয়েলকে দলের একজন চমৎকার সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে তার ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গিলফয়েল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় গিলফয়েল লেখেন, রাষ্ট্রদূত হিসেবে তার দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হতে চললেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, 'আমেরিকা ফার্স্ট' আন্দোলন এবং দেশের প্রতি তার অঙ্গীকার অটুট থাকবে। একই সঙ্গে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানান, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং তিনি নিজের সুনাম ও সততা রক্ষায় জোরালো পদক্ষেপ নেবেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কংগ্রেসে নিয়োগ নিশ্চিতকরণ শুনানির কিছুদিন আগে গিলফয়েল এক রাজনৈতিক দাতার কাছে তার এক লাখ ডলারের ক্রেডিট কার্ড বিল পরিশোধের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। বিনিময়ে তিনি ওই দাতাকে ট্রাম্প প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, একটি অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে গিলফয়েল গ্রিক সরকারকে চাপে ফেলতে মার্কিন প্রভাব খাটানোর কথা বলেছিলেন এবং একটি স্থানীয় নির্মাণ ও জ্বালানি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ উদ্ধারে প্রভাব বিস্তারসহ তাদের এক লবিস্টকে ব্যক্তিগত কূটনৈতিক বৈঠকে উপস্থিত থাকার সুযোগ করে দেন। তবে তার আইনজীবীদের দাবি, চাওয়া অর্থটি কোনো অনৈতিক লেনদেন নয়, বরং গিলফয়েলের বকেয়া থাকা বক্তব্য ফি ও পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্সের পারিশ্রমিক ছিল।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই গিলফয়েলকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুরুতে গিলফয়েলকে একজন শক্তিশালী রাষ্ট্রদূত হিসেবে সমর্থন জানালেও পরবর্তীতে এ বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।

ফক্স নিউজের সাবেক উপস্থাপক ও ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক প্রসিকিউটর কিম্বার্লি গিলফয়েল ব্যক্তিগত জীবনে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের সাবেক স্ত্রী এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ পুত্র ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের সাবেক বাগদত্তা।

কেএন/টিএ

মন্তব্য করুন