© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

টাইম ম্যাগাজিনের বর্ষসেরা শিশু গীতাঞ্জলি

শেয়ার করুন:
টাইম ম্যাগাজিনের বর্ষসেরা শিশু গীতাঞ্জলি
international-desk
০৪:১৫ পিএম | ০৭ ডিসেম্বর, ২০২০

টাইম ম্যাগাজিনের প্রথম বর্ষসেরা শিশুর মুকুট অর্জন করেছে গীতাঞ্জলি রাও। এই প্রথম টাইম ম্যাগাজিন বর্ষসেরা শিশু নির্বাচন করল। ১৫ বছর বয়সী গীতাঞ্জলি’র মেধা ও বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয়েছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলিও।

জার্মান ভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলে জানিয়েছে, বছরের নজরকাড়া ব্যক্তিত্ব থেকে সেরাদের বেছে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা টাইম ম্যাগাজিন। এবছরই প্রথম বর্ষসেরা শিশু নির্বাচন করেছে পত্রিকাটি। আর প্রথমবারেই বাজিমাত করে দিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত এই উঠতি বিজ্ঞানী কিশোরী।

এর আগে বর্ষসেরা ব্যক্তির তালিকায় একমাত্র অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ছিলেন সুইডেনের ১৬ বছর বয়সী পরিবেশকর্মী গ্রেটা থানবার্গ। কিন্তু থানবার্গকে পেছনে ফেলে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই প্রভাবশালী বর্ষসেরা শিশু হওয়ার খেতাব জুটিয়েছেন গীতাঞ্জলি।

ডয়চে ভেলে বলছে, ৮ থেকে ১৬ বছর বয়সী ৫ হাজারেরও বেশি প্রতিভাবান শিশুর মধ্য থেকে গীতাঞ্জলি রাওকে বেছে নেয় টাইম কর্তৃপক্ষ। কারণ এত অল্প বয়সেই পানিতে সিসা মাপার একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেছে কিশোরী এই বিজ্ঞানী। আর এতেই যেন গোটা বিশ্ব বাজিমাত।

গীতাঞ্জলির বসবাস যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটির কলোরাডো রাজ্যের ডেনভার শহরের বাসা থেকেই সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিনকে একটি সাক্ষাৎকার দেয় গীতা। সাক্ষাৎকারটি নেন বিশ্বসুন্দরী ও হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।

ওই সাক্ষাতকারে গীতা জানায়, বড় হয়ে ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে জেনেটিকস ও এপিডেমিওলজি নিয়ে পড়তে চায় সে। ওই সাক্ষাতকারে গীতা জানায়, ‘আমি আর পাঁচটা বিজ্ঞানীর মতো দেখতে নই। আমরা যেসব বিজ্ঞানীদের টেলিভিশনে দেখি, তারা সবাই বয়স্ক। তারা পুরুষ ও শ্বেতাঙ্গ। আমার অবাক লাগে এটা ভেবে যে, এভাবে কিছু নির্দিষ্ট লিঙ্গ, বর্ণ ও বয়সের মানুষকেই আমরা কিছু বাঁধাধরা কাজ করতে দেখতে দেখতে যেন অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমি আমার মত বয়সের কাউকে পেলাম না। আমি মনেকরি, আমি যদি এটা করতে পারি, তাহলে তা অন্য যে কেউ করতে পারবে।

নিজের বিজ্ঞানী হওয়ার গল্প শুনিয়ে গীতাঞ্জলি তার সাক্ষাতকারে জানায়, সে দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই স্বপ্ন দেখা শুর করে কীভাবে প্রযুক্তি দিয়ে সমাজে পরিবর্তন আনা যায়। ১০ বছর বয়সেই সে তার বাবা-মাকে জানায় যে, পানির মান যাচাই করতে সে কার্বন ন্যানোটিউব সেন্সর প্রযুক্তি ওয়াটার কোয়ালিটি রিসার্চ ল্যাবে কাজ করতে চায়। শুধু বিশুদ্ধ পানিই নয়, গীতাঞ্জলি এরই মধ্যে একটি বিশেষ অ্যাপ ও এক্সটেনশনও তৈরি করেছে, যাতে করে সাইবার বুলিং রোধ করা যায়।

 

টাইমস/এসএন

মন্তব্য করুন