গাজায় পোস্ট অফিসে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৩০
১০:৩৮ পিএম | ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
গাজা উপত্যকায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় নেয়া একটি ডাকঘরে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি চিকিৎসকরা এই তথ্য জানিয়েছেন। যদিও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি ইসলামিক জিহাদের একজন সিনিয়র নেতাকে টার্গেট করেই তারা এই হামলা করেছে। খবর রয়টার্সের।
১৪ মাস ধরে চলমান সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরের ডাকঘরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতের এই হামলায় গাজাজুড়ে একদিনে নিহতের সংখ্যা ৬৬-তে নিয়ে গেছে।
ইসরায়েলের দাবি, ইসলামিক জিহাদের একজন নেতাকে মারতেই তারা এই হামলা করেছে। ওই ব্যক্তি ইসরায়েলি নাগরিক ও সেনাদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত। এই গোষ্ঠীটি বেসামরিক অবকাঠামো ও জনগণকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা নিহতের সংখ্যার বিষয়টি পর্যালোচনা করবে। তবে ইসলামিক জিহাদের ওই নেতার নাম প্রকাশ করেনি নেতানিয়াহু বাহিনী।
গাজার আটটি ঐতিহাসিক শরণার্থী শিবিরের একটি নুসাইরাত। ১৯৪৮ সালের ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার সময় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য তৈরি হয়েছিল এটি। বর্তমানে এটি উপত্যকার ঘনবসতিপূর্ণ একটি শহুরে এলাকার অংশ। এখানে পুরো গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত মানুষরা আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।
এর আগে একই দিন দক্ষিণ গাজার দুটি আলাদা ইসরায়েলি হামলায় ১৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়। গাজার চিকিৎসক এবং হামাস জানিয়েছে, তারা মানবিক ত্রাণ সহায়তার ট্রাক রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন। তবে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীন দাবি, তারা হামাসের যোদ্ধা। তারা ত্রাণ ছিনতাই করার চেষ্টা করেছিলেন।