© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটলেও সিরিয়া ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করল রাশিয়া

শেয়ার করুন:
যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটলেও সিরিয়া ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করল রাশিয়া

ছবি: সংগৃহীত

সাব্বির আহমেদ, মোজো এডিটর-ইন-চিফ
০৫:৪১ পিএম | ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ায় উত্তরাঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্র এবং আলাওয়াইত পর্বতমালার নিরাপত্তাচৌকিগুলো থেকে নিজেদের সেনাদের সরিয়ে নিতে শুরু করে অন্যতম মিত্র রাশিয়া। তবে দেশটিতে রাশিয়ার দুটি প্রধান ঘাঁটি থেকে সেনাদের সরানো হবে না। রুশ সেনাদের সিরিয়া থেকে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই। রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা সিরিয়ার চার কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। গতকাল শনিবার ম্যাক্সার স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবির বরাত দিয়ে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল, সম্ভবত, সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে মস্কো। সেই খবর প্রকাশের পরপরই সিরিয়ার কর্মকর্তারা বিষয়টি জানালেন।

বাশার আল-আসাদ এবং তার প্রয়াত বাবা হাফিজ আল-আসাদ যিনি প্রায় ৩০ বছর সিরিয়া শাসন করেছেন, মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু বিদ্রোহীদের সশস্ত্র আক্রমণের মুখে বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ায় অবস্থিত রাশিয়ার দুটি সেনা ঘাঁটির-লাতাকিয়ায় হামেইমিম বিমানঘাঁটি এবং তারতুস নৌঘাঁটি-ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

গত শুক্রবার ম্যাক্সার স্যাটেলাইটের তোলা ছবিতে দেখা গেছে, অন্তত দুটি আন্তনভ এএন-১২৪—যা বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমানগুলোর একটি-হামেইমিম ঘাঁটিতে উপস্থিত ছিল। সেগুলোর ডালাও উন্মুক্ত করা ছিল, সম্ভবত মালামাল তোলার জন্য। পরে গতকাল শনিবার সিরিয়ার এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, অন্তত একটি কার্গো বিমান লিবিয়ার উদ্দেশ্যে সিরিয়া থেকে উড়ে গেছে।

সিরিয়ার সামরিক ও নিরাপত্তা সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, মস্কো ফ্রন্টলাইন থেকে বাহিনী প্রত্যাহার করছে এবং কিছু ভারী সরঞ্জাম ও উচ্চ পদস্থ সিরিয়ার কর্মকর্তাদের সরিয়ে নিচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাশিয়া সিরিয়ায় তাদের দুটি প্রধান ঘাঁটি ছাড়ছে না এবং বর্তমানে সেগুলো ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। সিরিয়ার সেনাবাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কিছু সরঞ্জাম মস্কোয় পাঠানো হচ্ছে এবং আসাদের সামরিক বাহিনী থেকে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদেরও ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে উদ্দেশ্য হলো—পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সেনাদের পুনর্বিন্যস্ত করা।

মন্তব্য করুন