© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মধুমিতা বন্ধের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে পরিচালনা পর্ষদ

শেয়ার করুন:
মধুমিতা বন্ধের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে পরিচালনা পর্ষদ

ছবি: সংগৃহীত

শারলিন
০৪:৩৫ পিএম | ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ঈদুল আজহার পর বন্ধ হয়ে যাবে দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রেক্ষাগৃহ মধুমিতা— এমন ঘোষণা দিয়েছিলেন এর স্বত্বাধিকারী ইফতেখার নওশাদ। তবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সেই সিদ্ধান্ত বদলে গেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইফতেখার নওশাদ জানান, প্রথমে প্রেক্ষাগৃহ বন্ধের পরিকল্পনা করা হলেও পরিচালনা পর্ষদের একাধিক বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তবে পরে আমরা সবাই মিলে আবার আলোচনা করি। এরপর সিদ্ধান্ত হয়, আপাতত মধুমিতা বন্ধ করা হচ্ছে না। যদি ভবিষ্যতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তা সবাইকে জানানো হবে।’

১৯৬৭ সালের ১ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করা মধুমিতা প্রেক্ষাগৃহ দেশের সিনেমা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কয়েক বছর ধরেই এটি অনিয়মিতভাবে চালু ও বন্ধ থাকছিল। তবে গত সপ্তাহে ইফতেখার নওশাদ জানিয়েছিলেন, ঈদুল আজহার পর মধুমিতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে, যেখানে সিনেপ্লেক্সও রাখা হবে।

প্রেক্ষাগৃহটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী সিরাজ উদ্দিন। নাম ঠিক করতে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকে একটি বিজ্ঞাপন দেন, যেখানে পাঠকদের কাছ থেকে নামের প্রস্তাব আহ্বান করা হয়। প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্য থেকে ‘মধুমিতা’ পছন্দ করেন সিরাজ উদ্দিন এবং নামদাতাকে ৫০০ টাকা পুরস্কার দেন। বর্তমানে হলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন তাঁর ছেলে ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ। সিরাজ উদ্দিনের চার ছেলেই এখন এর মালিক।

উদ্বোধনের দিন হলটিতে প্রদর্শিত হয়েছিল এলিজাবেথ টেলর অভিনীত বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘ক্লিওপেট্রা’। আধুনিক শব্দ প্রযুক্তি (ম্যাগনেটিক সাউন্ড) সুবিধাসহ চালু হওয়া এই প্রেক্ষাগৃহ প্রথম দিন থেকেই বিপুল দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল। একসঙ্গে ১ হাজার ২২১ জন দর্শকের বসার ব্যবস্থা থাকা মধুমিতা এখনও ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাগৃহ হিসেবে বিবেচিত হয়।

টিএ/

মন্তব্য করুন