‘বাবা তুমি কি মারা যাবে?’, সাইফকে প্রশ্ন করেছিলেন ছেলে তৈমুর
ছবি: সংগৃহীত
০২:২৮ পিএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
গত মাসে নিজ বাড়িতে এক আততায়ীর ছুরিকাঘাতে প্রায় মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন সাইফ আলী খান। এদিন পরিবারকে রক্ষা করতে সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ান সাইফ আলী খান। লড়াই করেন হামলাকারীর সঙ্গে। এতে ছুরির ছয় কোপে আহত হতে হয় তাকে। সেসময় রক্তাক্ত সাইফকে দেখে ভড়কে যান কারিনা কাপুর। ৮ বছরের ছেলে তৈমুরও ঘাবড়ে যায়। সাইফ মারা যাচ্ছে কিনা তাই নিয়ে সংশয়ে পড়ে। বাবাকে প্রশ্নও করে সে।
এমন কাণ্ডে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় দেশজুড়ে। তবে বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ তিনি। ধীরে ধীরে শুকিয়েছে শরীরের ক্ষত। তবে কিছুতেই ভুলতে পারছেন না সেই অভিশপ্ত রাত। ঠিক কী হয়েছিল, পরিবারের লোকেরা কী করছিলেন, নিজেই ভয়াবহ সে রাতের কথা জানালেন সাইফ আলী খান।
বম্বে টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আবেগঘন সে কথা বর্ণনা করে সাইফ বলেন, ‘আমি সেই সময়ে ভাবছিলাম, যদি কিছু হয়ে যায়! ও আমার সঙ্গে থাকলে আমার মনে জোর আসবে। তৈমুর নিজেও যেতে চেয়েছিল। আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করেছিল, বাবা তুমি কি মারা যাবে?’
সেই রাতে কারিনার ছোট ছেলে জেহ-র ঘরেই ঘাপটি মেরে বসেছিল আততায়ী। কী করছিল জানিয়ে সাইফ বলেন, ‘ঘটনার সময়ে জেহ ঘুমোচ্ছিল।
ওকে কারিনা আর অন্যরা উপরের ঘরে নিয়ে যায়। হামলাকারীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময়ে ভালো করে খেয়াল করতে পারিনি। হাসপাতাল থেকে ফেরার পর জেহ আমায় একটি প্ল্যাস্টিকের খেলনা তলোয়ার দিয়েছে আর বলেছে ঘুমানোর সময়ে ওটা নিয়ে ঘুমাতে। যাতে আবার চোর এলে আমি লড়তে পারি।’
উল্লেখ্য, সাইফ আলী খানের বাড়িতে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম শেহজাদকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। তার আঙুলের ছাপের সঙ্গে সাইফের বান্দ্রার বাড়িতে থেকে পাওয়া আঙুলের ছাপের নমুনা মিলেছে।
টিএ/