শীত প্রায় বিদায়ের মুহূর্তে। এই সময়ে গ্রামাঞ্চলে হালকা শীত পড়লেও শহরাঞ্চলে খুব একটা নেই। কারো কারো এখনো ঘর ভর্তি দেখা যাচ্ছে শীতপোশাক। প্রতিদিনই ভাবছেন পরিষ্কার করে আলমারিতে তুলে রাখতে হবে।কিন্তু কাজের চাপে আর সময় হচ্ছে না।
আর শীতপোশাক তো যেভাবে-সেভাবে আলমারিতে তুলে রাখা যায় না। নয়তো পোশাকের দফারফা। কারণ, কমপক্ষে ৯ মাস পর আবার সেগুলো বের করা হবে। তাই সোয়েটার, টুপি আলমারিতে তুলে রাখার আগে জেনে নিন কিভাবে সেগুলো রাখলে ভালো থাকবে।
কিভাবে শীতপোশাক কাচবেন
১. খুব বেশি ময়লা না হলে শীতপোশাক কাচবেন না। শুধু যে জায়গাটি অপরিষ্কার, সেই জায়গাটিতে অল্প পরিমাণে সাবান দিন। হালকা হাতে ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। পরে হালকা রোদে দিয়ে ঠাণ্ডা করে তুলে রাখুন।
২. শীতপোশাক ভুলেও ওয়াশিং মেশিনে কাচবেন না। বেশি ময়লা হলে হালকা হাতে ঠাণ্ডা পানিতে কাচুন।
৩. ভিজে শীতপোশাক চড়া রোদে শুকাতে দেবেন না। ঝুলিয়ে না শুকাতে দেওয়াই ভালো।
তার পরিবর্তে টানটান করে ছাদের মাটিতে ফেলে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ভাঁজ করে আলমারিতে গুছিয়ে রাখুন।
শুধু কাচলেই তো হলো না। আলমারিতে শীতপোশাক গুছিয়ে রাখার উপায়ও জানা অত্যন্ত জরুরি। জেনে নিন সোয়েটার, টুপি ও শাল কিভাবে আলমারিতে রাখবেন।
১. শীতপোশাক আলমারিতে রাখার বদলে ট্রলিব্যাগে রাখার চেষ্টা করুন। যাতে বারবার খোলাবন্ধ না হয় সেটি। কারণ, শীতপোশাক ধুলোময়লা আকর্ষক। আলমারিতে রাখলে বারবার দরজা খোলা ও বন্ধে ধুলো টানতে পারে শীতপোশাক। তাতে নষ্ট হতে পারে সাধের সোয়েটার, টুপি।
২. শীতপোশাক যেখানে রাখছেন সেখানে আগে ন্যাপথালিন দিন। কিংবা গোল গোল করে তুলোর বল তৈরি করুন। তাতে ল্যাভেন্ডার, ইউক্যালিপটাস কিংবা মিন্ট অয়েল দিন। তারপর তা আলমারি কিংবা ট্রলিব্যাগে ছড়িয়ে দিন। এবার ওই জায়গায় শীতপোশাক রাখুন। তাতে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে আপনার সাধের সোয়েটার, টুপিকে বাঁচানো সম্ভব।