‘আড়ি’ ছবির মাঝেই বৈশাখ কাটাচ্ছেন যশ-নুসরাত
ছবি: সংগৃহীত
০৭:৩২ পিএম | ১৪ এপ্রিল, ২০২৫
নববর্ষের দিনেও থেমে নেই প্রচার। বাংলা নববর্ষ ১৪৩২-র প্রথম দিনটা ‘আড়ি’-র সঙ্গেই কাটাচ্ছেন টলিউড জুটি যশ দাশগুপ্ত ও নুসরত জাহান। একদিকে নতুন ছবির ব্যস্ত শিডিউল, অন্যদিকে নববর্ষের রোমন্থন—এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই সাজানো তাঁদের এবারের বৈশাখ।
ছবির প্রচারের মধ্যেও নববর্ষ ঘিরে ছেলেবেলার কিছু ঝলমলে স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছেন তাঁরা। যশ জানাচ্ছেন, ছোটবেলায় মা'র সঙ্গে গয়নার দোকানে গিয়ে হালখাতায় অংশ নেওয়ার স্মৃতি আজও টাটকা। সেখানেই মিষ্টি আর ঠান্ডা পানীয়ে মেতে উঠতেন ছোট্ট যশ। দিনটা ছিল ছুটি, খাওয়াদাওয়া আর শুভেচ্ছায় ভরপুর।
নুসরত জানালেন, তাঁর শৈশবের নববর্ষ মানেই ছিল জামা-কাপড়ের হিসেব রাখা। বাবা পরিবারের সবার জন্য জামা কিনতেন, তুতো ভাইদের জামা পছন্দ হলে তিনি নিজেরটা বদল করে দিতেন—সে এক মজার গল্প। এখন অবশ্য উৎসবের দিনগুলোতে জামা কেনা নয়, বরং তাঁর সন্তানদের জন্য দাদুর পাঠানো জামাতেই উৎসবের রঙ। আর নিজেদের জন্য? কিছুই না। মজা করে বললেন, বাচ্চারাই যেন এখন পয়লা বৈশাখের প্রধান অতিথি।
ছবির প্রচারে ব্যস্ত থাকলেও গরমের মাঝে নববর্ষের ‘উষ্ণতা’র তুলনা খুঁজে পান না তাঁরা। সেই পরিচিত গন্ধ, খাবার, নতুন কাপড়ের স্পর্শ—সবকিছু মিলে এখনও মনে পড়ে সেই বাঙালিয়ানা ছুঁয়ে থাকা দিনগুলো। তবে বর্তমানে নববর্ষে শপিংয়ের সে উত্তেজনা আর নেই, স্মৃতিই একমাত্র আশ্রয়।
ছোটবেলার পয়লা বৈশাখ থেকে বড় হয়ে ওঠার পালা, উৎসবের ব্যস্ততা থেকে বর্তমানের নস্টালজিয়া—সব মিলিয়ে যশ-নুসরতের নববর্ষ কাটছে ‘আড়ি’ ছবির প্রচারের মাঝেই। সিনেমার হাত ধরে হয়তো তাঁরা চেষ্টা করছেন পুরনো সেই বৈশাখকে কিছুটা হলেও ফিরিয়ে আনার।
এফপি/টিএ