যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য সামরিক ক্ষমতা সংরক্ষিত রাখছে তেহরান
ছবি: সংগৃহীত
০৩:২৩ এএম | ১৯ জুন, ২০২৫
<div style="text-align: justify; ">ইরান-ইসরায়েল হামলা-পাল্টা হামলা আরও তীব্র হয়ে উঠছে। এই সংঘাতে
ইরান-ইসরায়েল হামলা-পাল্টা হামলা আরও তীব্র হয়ে উঠছে। এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি দ্রুত আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এবং তা যে কোনো সময় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের বিশ্লেষক আব্বাস আসলানি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘যুদ্ধের পরিধি ক্রমেই বাড়ছে। যদি যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হস্তক্ষেপ করে, তাহলে এটি নতুন একপর্যায়ের আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যার প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
পারস্যের হরমুজ প্রণালি ইরানের একটি কৌশলগত শক্তি উল্লেখ করে আসলানি বলেন, আন্তর্জাতিক গুরাত্বপূর্ণ এই জলপথে ইরানের শক্ত অবস্থান রয়েছে। ইরান এখনো হরমুজ প্রণালিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেনি, এমনকি সামরিক শক্তির পুরো অংশও মাঠে নামায়নি।
তিনি আরও জানান, তেহরান ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু সামরিক ক্ষমতা সংরক্ষিত রেখেছে, যেন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়লে সেগুলো ব্যবহার করা যায়।
আসলানির ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র যদি সরাসরি সংঘাতে জড়ায়, তবে ইরান অবিলম্বে নতুন এক সংঘাত শুরু করবে। এই পর্বে তেহরানের লক্ষ্য হবে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক স্বার্থ ও সামরিক ঘাঁটিগুলো। তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করলেই পাল্টা হামলা চালাবে ইরান।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই সংঘাতে শুধু ইরান-যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং পুরো অঞ্চলজুড়ে আরও অনেক পক্ষ জড়িয়ে পড়তে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ অবস্থায় কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখা এবং উত্তেজনা প্রশমন করাই হবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রধান দায়িত্ব।
আরএম