© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

হোয়াইট হাউস কর্মকর্তাকে ‘সাপ’ বললেন ইলন মাস্ক

শেয়ার করুন:
হোয়াইট হাউস কর্মকর্তাকে ‘সাপ’ বললেন ইলন মাস্ক

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৫৮ পিএম | ২০ জুন, ২০২৫

<div><div>যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক ভেটিং প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই হোয়...

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক ভেটিং প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই হোয়াইট হাউসের একজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে ‘সাপ’ বলে আক্রমণ করেছেন টেসলা ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক।

বুধবার (১৮ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে মাস্ক বলেন, ‘সে একটা সাপ’। কর্মী পরিচালক সার্জিও গরকে লক্ষ্য করে এ আখ্যা দেন তিনি। খবর আনাদোলুর।

ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের অধীনে সরকারি কর্মীদের নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়ার দায়িত্বে রয়েছেন গর। নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তিনিই নিজে এখনো স্থায়ী নিরাপত্তা ছাড়পত্রের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেননি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিষয়টি শুধু প্রশাসনিক নয়; বরং রাজনৈতিক দ্বন্দ্বেরও ইঙ্গিত বহন করছে।

ইলন মাস্কের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের সম্পর্কের টানাপোড়েন নতুন নয়। সম্প্রতি ট্রাম্প সরকার জারেড আইজ্যাকম্যানকে মহাকাশ সংস্থার প্রধান হিসেবে নিয়োগ না দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আইজ্যাকম্যান মাস্কের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। গুঞ্জন রয়েছে, এ সিদ্ধান্তে গর সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।

হোয়াইট হাউস কর্মকর্তাকে ‘সাপ’ বললেন ইলন মাস্ক

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে বড় বিস্ফোরণ

তবে কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর দাবি করেছেন, আইজ্যাকম্যান আগে ডেমোক্রেটিক পার্টিকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছিলেন। এটাই ছিল তার বাদ পড়ার মূল কারণ।

মাস্ক ও ট্রাম্পের সম্পর্ক একসময় পরস্পর সমর্থন-সহযোগিতার ছিল। এখন প্রকাশ্য বিরোধে পরিণত হয়েছে। মের শেষদিকে মাস্ক ট্রাম্পের বাজেট প্রস্তাবকে ‘ঘৃণ্য’ বলে আখ্যায়িত করার পর থেকেই সম্পর্কের অবনতি স্পষ্ট হয়।

এরপর সামাজিকমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও হুমকির মধ্যে ট্রাম্প মাস্কের বিভিন্ন ব্যবসায়িক চুক্তি বাতিলের হুমকি দেন। জবাবে মাস্ক তাকে ‘অকৃতজ্ঞ’ বলেও মন্তব্য করেন। তিনি ট্রাম্পের অতীত নিয়ে বিতর্কিত কিছু বক্তব্য দেন, যেগুলো পরে মুছে ফেলেন।

সম্প্রতি মাস্ক প্রকাশ্যে ট্রাম্পের অভিশংসনের আহ্বানকে সমর্থন করেন। তিনি একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।

এই দ্বন্দ্বকে ২০২৪ সালের নির্বাচনের পরবর্তী সময় মার্কিন রাজনীতির শক্তির ভারসাম্য নিয়ে নতুন ধরনের লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে।


পিএ/টিএ 

মন্তব্য করুন