সাফল্যের আগে ব্যর্থতা, সিদ্ধান্তের গল্পে বাস্তবতার প্রতিফলন
ছবি: সংগৃহীত
১১:২৯ এএম | ২৫ জুলাই, ২০২৫
আজ যাঁকে বলিউডের প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেতাদের একজন হিসেবে দেখা হয়, সেই সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী একসময় হৃদয়ভাঙা ব্যর্থতার মধ্য দিয়েই শুরু করেছিলেন নিজের পথচলা। ‘গালি বয়’-এর মুরাদ চরিত্রে বাজিমাত করার আগে তিনি চেয়েছিলেন হয়ে উঠতে ‘লায়লা মজনু’র মজনু।
সম্প্রতি এক খোলামেলা সাক্ষাৎকারে সিদ্ধান্ত জানালেন, "সেই সময় মনে হয়েছিল সবকিছু ভেঙে গেল। লায়লা মজনু আমার অনেক চাওয়া ছিল।" কিন্তু ভাগ্য সায় দেয়নি। সেই চরিত্রে অভিনয় করেন অভিনাশ তিওয়ারি।
তবে এখানেই শেষ নয়। সিদ্ধান্ত বলেন, "পরে বুঝেছি, ওই না পাওয়া আমার ভেতরে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল।" সেই আগুনই তাঁকে নিয়ে যায় ‘গালি বয়’-এর চূড়ায়। এরপর ‘গেহরাইয়াঁ’ আর ‘খো গয়ে হম কাহাঁ’-এর মতো সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে ক্রমশ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
বলিউডে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার গল্পই বেশি। আর সিদ্ধান্ত চতুর্বেদীর জীবনের এই অধ্যায় হয়ে উঠেছে বহু নবীন শিল্পীর জন্য বাস্তব অনুপ্রেরণা। তাঁর মতে, প্রত্যাখ্যানের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে নিজের সীমা পেরিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।
যে মজনু চরিত্র না পাওয়ায় ভেঙে পড়েছিলেন, সেটাই তাঁকে মুরাদ করে গড়ে তুলেছে। সিদ্ধান্তের এই গল্প প্রমাণ করে—কখনো কখনো ব্যর্থতাই সবচেয়ে বড় শিক্ষা, আর অপেক্ষার শেষে সাফল্য যদি আসে, তবে তা হয় অনেক বেশি উজ্জ্বল।
এসএন