© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন, শাস্তির মুখে বিএনপির আরও ৪ নেতা

শেয়ার করুন:
কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন, শাস্তির মুখে বিএনপির আরও ৪ নেতা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২৭ এএম | ০৩ আগস্ট, ২০২৫

<div><div style="text-align: justify; ">ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে বিএনপির মহাসচিবের ভাইয়ের গাড়

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে বিএনপির মহাসচিবের ভাইয়ের গাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় দুই বিএনপি নেতাকে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নিয়ে শাস্তির মুখে পড়েছেন দলটির আরও চার নেতা। এরমধ্যে দুই নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি এবং দুজনকে শোকজ করে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

গত শুক্রবার (১ আগস্ট) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জানা যায়, গত ১২ জুলাই ভোটের মাধ্যমে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে ফলাফল দেরিতে ঘোষণা দেয়াকে কেন্দ্র করে ওই উপজেলার অনুষ্ঠিত ভোট কেন্দ্রে বিএনপির মহাসচিবের ভাই জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিনের গাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এর আগে কাউন্সিলে তারা দুজন নির্বাচিত হয়েছেন বলে ঘোষণা দেন মির্জা ফয়সল।

তবে পরবর্তীতে হামলার ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ আলম এবং সাধারণ টিএম মাহবুবুর রহমানকে বহিষ্কার করা হয়। আর দুই নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেন উপজেলা বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মীরা। তাদের মধ্যে শাস্তির মুখে পড়েছে আরও চার নেতা। এর মধ্যে দুজনকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি এবং দুজনকে শোকজ করে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

গত শুক্রবার (১ আগস্ট) ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুল ইসলাম মুন্না ও সদস্য সচিব কামরুজ্জামান কামুর স্বাক্ষরিত পত্রে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জুলফিকার আলী শাহ ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ চৌধুরীকে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন কার্য দিবসের মধ্যে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।
একই দিনে ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক ইমরান মাহমুদের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ সাপেক্ষে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ছাত্রদলে যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস আলী ও সাদ্দাম হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

গত মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাতে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওই দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। আর সেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠন।

এরপর থেকে গত ৩০ জুলাই বিক্ষোভ সমাবেশ, পরের দিন ৩১ জুলাই মানববন্ধন ও সবশেষ ২ আগস্ট অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, গত ১২ জুলাই ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ভোটের মাধ্যমে বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতি পদে ফলাফল নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিএনপির মহাসচিবের ভাই জেলার সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিন এসে ফলাফল ঘোষণা করেন। ফেরার সময় কে বা কারা তার ওপর হামলা ও তাকে বহনকারী গাড়িতে ভাঙচুর করেন।

পরে গত ১৩ জুলাই বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী সংবাদ সম্মেলন করে কাউন্সিলের ফলাফল স্থগিত ঘোষণা করেন এবং জেলা বিএনপির সভায় দুই নেতাকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠান।

কেএন/টিকে

মন্তব্য করুন