© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

দুদকের মামলায় পাপিয়া দম্পতির রায় ১৪ আগস্ট

শেয়ার করুন:
দুদকের মামলায় পাপিয়া দম্পতির রায় ১৪ আগস্ট

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৩৪ পিএম | ০৭ আগস্ট, ২০২৫

<div><div style="text-align: justify; ">শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ছয় কো...

শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ছয় কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের করা এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ১৪ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহা. আবু তাহের এ দিন ধার্য করেন। এদিন আসামি পাপিয়া আদালতে হাজিরা দেন।

তার স্বামী মফিজুরকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য ১৪ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

২০২০ সালের ৪ আগস্ট দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর উপ-পরিচালক শাহীন আরা মমতাজ বাদী হয়ে তাদের দুজনের নামে মামলাটি করেন।

‘দুদক আইন, ২০০৪’-এর ২৭(১) ধারায় মামলাটি করা হয়। তদন্ত শেষে দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শাহীন আরা মমতাজ প্রতিবেদন জমা দেন।

এরপর ২০২১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন করেন দুদক। ওই বছরের ৬ অক্টোবর মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এ বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।

২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর এ মামলায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। বিচার চলাকালীন আদালত ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ২২ ফ্রেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওয়েস্টিন হোটেলের ২৫টি রুমে অবস্থান করে রুম-নাইট, রেস্তোরাঁর খাবার, মদ, স্পা, লন্ড্রি, মিনি বার ফুড, মিনি বার বাবদ মোট তিন কোটি ২৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৬১ টাকার বিল ক্যাশে পরিশোধ করেন পাপিয়া। ওয়েস্টিন হোটেলে থাকা অবস্থায় প্রায় ৪০ লাখ টাকার শপিং করেন। যার কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি।

এছাড়া ২০১৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বাসাভাড়া বাবদ ৩০ লাখ টাকা, গাড়ির ব্যবসায় বিনিয়োগকৃত এক কোটি টাকা এবং নরসিংদীতে কেএমসি কার ওয়াশ সলিউশনে বিনিয়োগকৃত ২০ লাখ টাকা, বিভিন্ন ব্যাংকে তার এবং তার স্বামীর নামে জমাকৃত ৩০ লাখ ৫২ হাজার ৯৫৮ টাকারও কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি অনুসন্ধানে।

অন্যদিকে র‌্যাবের অভিযানে তার বাসা থেকে ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা এবং সুমনের নামে হোন্ডা সিভিএ ২০১২ মডেলের ২২ লাখ টাকার গাড়ি উদ্ধার করা হয়। এগুলোরও কোনো বৈধ উৎস মেলেনি দুদকের অনুসন্ধানে।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন