গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় সরকারের কাছে তিন দফা দাবি জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর বিজয়নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মিছিলের আগে সমাবেশ থেকে এ দাবি জানান তিনি। সমাবেশে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।
তিন দফা দাবি হলো- আজকের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন; স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টির রাজনীতি নিষিদ্ধ করা।
রাশেদ খানের দাবি, নুরকে হত্যার উদ্দেশে তাকে বুটজুতা দিয়ে পেষা হয়েছে। গতকাল (শুক্রবার) অনেকে বলেছেন আমরা নাকি জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের গিয়েছিলাম, সে জন্য মেরেছে। অথচ আমরা সেখান থেকে আমাদের কার্যালয়ের সামনে আসার পরই নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা হয়েছে। হামলায় জড়িত সেনাবাহিনীর সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
নুরকে হত্যার মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী নির্দয়ভাবে পেটানো হয়েছে উল্লেখ করে পুলিশ ও প্রতিরক্ষা সংস্কার কমিটি গঠনের দাবি জানান তিনি।
রাশেদ আরও বলেন, নুরের ওপর হামলার ঘটনাকে অনেকে নির্বাচন পেছানোর অজুহাত হিসেবে দেখছেন। আমরা মনে করি এর সঙ্গে নির্বাচন বানচাল বা এক এগারো হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নুরের খোঁজ নেওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
রাশেদ ছাড়াও গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, হাসান আল মামুন, উচ্চতর পরিষদ সদস্য আব্দুল জাহেদ, শ্রমিক অধিকার পরিষদ সভাপতি আব্দুর রহমান ও নুরুল হক নুরের ছোট ভাই আমিনুল হক নুরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
অন্যান্য দলের নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) একাংশের চেয়ারম্যান খন্দকার লুৎফর রহমান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সাধারণ শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ।
ইএ/টিকে