আপনি কি সন্তানের ঘুম বা আইকিউ নিয়ে চিন্তিত?
আপনার বাচ্চা কি রাতে আরাম করে ঘুমাতে পারছে না? আপনি কি তার বুদ্ধিমত্তার বিকাশ নিয়ে শঙ্কিত? এ নিয়ে এত ঘাবড়ানোর কিছু নেই, কারণ শুধু নিয়মিত মাছ খাওয়ার মধ্য দিয়ে আপনি এক ঢিলে দুই পাখি মারতে পারছেন।
আপনার বাচ্চা কি রাতে আরাম করে ঘুমাতে পারছে না? আপনি কি তার বুদ্ধিমত্তার বিকাশ নিয়ে শঙ্কিত? এ নিয়ে এত ঘাবড়ানোর কিছু নেই, কারণ শুধু নিয়মিত মাছ খাওয়ার মধ্য দিয়ে আপনি এক ঢিলে দুই পাখি মারতে পারছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব পেনিসিলভানিয়ার এক গবেষণায় মাছ খাওয়ার সঙ্গে ভালো ঘুম ও আইকিউ বা বুদ্ধ্যঙ্ক বৃদ্ধি হওয়ার সম্পর্কের বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষণা অনুযায়ী, যেসব বাচ্চা সপ্তাহে অন্তত একবার মাছ খায় তাদের ভালো ঘুম হয় এবং তাদের আইকিউ গড়ে ৪ পয়েন্ট বেশি।

মাছ থেকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায়, যা মানবদেহ সুস্থ রাখতে খুবই দরকারি একটি খাদ্য উপাদান। অন্য অনেক উপকারের সঙ্গে এটি মাংস পেশি শিথলকরণে এবং হজমে সাহায্য করে।
গবেষণার স্বার্থে, চীনের বিভিন্ন বয়সের ৫৪১ জন শিশুকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে তারা সপ্তাহে কতবার মাছ খায়। ‘একবারও না’, ‘একবার’, থেকে শুরু করে বিভিন্ন উত্তর বেছে নেয়ার সুযোগ ছিল তাতে। তারপর অংশগ্রহণকারীদের মৌখিক ও লিখিত আইকিউ টেস্ট অর্থাৎ মস্তিস্কের পরীক্ষা নেয়া হয়।
অভিভাবকদেরকেও বাচ্চাদের ঘুম, রাতে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া এবং দিনের বেলার ঘুম নিয়ে নানা প্রশ্ন করা হয়। সব তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, যারা সপ্তাহে কমপক্ষে একবার মাছ খেয়ে অভ্যস্ত তাদের আইকিউ সপ্তাহে একবারও মাছ না খাওয়া বাচ্চাদের থেকে ৪.৮ পয়েন্ট বেশি। আবার রাতেও তাদের খুব ভালো ঘুম হয়।

গবেষকরা আরও দেখেছেন যে, ঘুমের অভাব অসামাজিক আচরণ এবং দুর্বল চেতনার জন্য দায়ী। ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট এই সমস্যাটির সমাধান করতে সক্ষম। গবেষকদের মতে, এ কারণেই বাচ্চাদেরকে প্রথম থেকেই মাছ খাওয়ায় উৎসাহী করে তুলতে হবে।
তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
টাইমস/এনজে/জিএস